

স্থানীয় গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে জুড়ে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা থেকে শুরু করে দাপ্তরিক কাজ চলছে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি বলে হাটহাজারী থানা সূত্রে জানা গেছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে তিন শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম নগরীর দুইটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরমধ্যে একজন একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকায় এখনো বলবত আছে ১৪৪ ধারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মমতাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গতকালের সংঘর্ষের ঘটনায় আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
আগামীকাল ক্লাস পরীক্ষা হবে কি না তা বিকালের আগেই জানানো হবে। তবে শিক্ষকদের বাস নিয়মিত সূচীতে চলাচল করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেইট, কলা অনুষদ, শহীদ মিনার, আইন অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ছিল অনেকটাই ফাঁকা। কয়েকটি জায়গায় দুই একজন করে শিক্ষার্থী দেখা গেছে।
তবে শিক্ষার্থীদের যাতায়তের বাহন শাটল স্বাভাবিক নিয়মেই চলাচল করছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসও চলাচল করছে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কাওছার মোহাম্মদ হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। কাউকে এখন পর্যন্ত আটক করা হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত শনিবার রাত বারটা থেকে রবিবার বেলা চারটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষের ২০০ জন মানুষ আহত হন। এরমধ্যে ১৯০ জনই চবি শিক্ষার্থী। বাসায় এক ছাত্রীর প্রবেশ নিয়ে দারোয়ান কর্তৃক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনার জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
