

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের তদন্তসংশ্লিষ্ট ৩০ লাখ পৃষ্ঠারও বেশি গোপন নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এক সংবাদ সম্মেলনে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ এই ঘোষণা দেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
প্রকাশিত এই বিশাল তথ্যভাণ্ডারে ২ হাজারেরও বেশি ভিডিও এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি রয়েছে। ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী ট্রাম্প প্রশাসন এই নথিগুলো প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে, যা নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে দীর্ঘসময় ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
প্রকাশিত এই নথিগুলো বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এপস্টেইনের গভীর ও রহস্যময় সম্পর্কের তথ্য।
ইমেইল চালাচালিতে দেখা গেছে, বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের সঙ্গেও এপস্টেইনের যোগাযোগ ছিল। ২০১২ সালের একটি ইমেইলে এপস্টেইন মাস্ককে তার দ্বীপে আসার নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং মাস্ক সেখানে ‘সবচেয়ে উন্মাদনাপূর্ণ পার্টি’ কবে হবে তা জানতে চেয়েছিলেন।
এ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক ও সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রুরও গোপন স্বভাবের চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে এপস্টেইন হাজার হাজার পাউন্ড অর্থ স্থানান্তর করেছিলেন বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তবে নথির এই বিশাল প্রকাশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এপস্টেইনের হাতে নির্যাতিত হওয়া বেঁচে ফেরা ব্যক্তিরা। তাদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত প্রভাবশালীদের নাম আড়াল করা হলেও ভুক্তভোগীদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত আপত্তিকর।
