

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জ শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন তেলের পাম্প পরিদর্শন করেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। পরিদর্শনকালে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে কোনো ধরনের অনিয়ম বা মজুদদারি হয় কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন তিনি। কোন প্রকার কোন অনিয়ম বা মজুদদারি বরদাশত করা হবে না পাম্প মালিকদের সতর্ক করেন এমপি। এসময় তিনি কৃষকসহ সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায্যভাবে তেল পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা তেল মজুদ করার চেষ্টা করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ার করেন। রবিবার বিকেল ৪টা থেকে শুরু রাত অবধি তিনি শহরের নিগিফিলিং স্টেশন, শরীফ ফিলিং স্টেশন, মিতা ফিলিং স্টেশনসহ একাধিক ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখেন এবং তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিতহয়। এ সময় কয়েকটি পাম্পে বিভিন্ন অসঙ্গতি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
এসময় গোপালগঞ্জ জেলা ট্যাংক লরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মাসুদুর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন হীরা, জেলা যুবদলের সভাপতি শেক রিয়াজ উদ্দিন লিপ্টনসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন যমুনা থেকে তেল বরাদ্দ স্থগিত করা নিগি পাম্পের জ্বালানি তেল বরাদ্দের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে করা নিগি পাম্পের জ্বালানি তেল চালু করে দেন বলে জানান গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।

