

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ঘন কুয়াশার সাথে উত্তরীয় হিমেল হাওয়ার প্রভাবে কনকনে ঠান্ডায় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সারাদিনব্যাপী কুয়াশা বৃষ্টির মত ঝরছে।
গত দুদিন কিছুটা সূর্যের দেখা মিললেও রোববার দিনব্যাপী চিলমারীতে কুয়াশা বৃষ্টি ঝড়তে দেখা গেছে। অতিরিক্ত শীতে শ্রমজীবী মানুষ কাজে বের হতে পারছে না। সরকারীভাবে শীতার্তদের মাঝে সামান্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও হতদরিদ্র শীতার্তদের পাশে নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, এটি শৈত্যপ্রবাহ নয়, ঘন কুয়াশার সাথে উত্তরীয় হিমেল হওয়ার প্রভাবে এত ঠান্ডা পড়ছে। রোববার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রোববার ঘন কুয়াশার কারণে সারাদিন রাস্তায় গাড়ীর হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। ইদ্রিছ আলী বলেন, ক’দিন ধরে যেভাবে ঠান্ডা চলছে তাতে গাড়ী চালানোই কঠিন। দুপুরে উপজেলার ফ্লাড সেন্টার এলাকায় মাজেদা বেওয়া নামে এক বৃদ্ধাকে লাঠি হাতে রাস্তায় কাপতে দেখা যায়। উপজেলা শহরের হোটেল ব্যবসায়ী বকুল মিয়া কনকনে ঠান্ডায় কর্মীর অভাবে দোকান খুলতে পারছেনা বলে জানায়।
এদিকে হিমেল হাওয়া ও শীতের তীব্রতায় কৃষক, শ্রমিকসহ খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিপাকে পড়েছে। অনেকে শীত নিবারণের জন্য খড়কুটো জ্বালিয়ে শরীর গরমের চেষ্টা করছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল।
