

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের রুবেল।
মামলায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন ও বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে হামলার প্রতিবাদ, মামলা দায়ের এবং আহতদের খোঁজখবর নিতে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা একাধিক স্থানে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন।
বুধবার বিকেল ৫টার দিকে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় পুলিশ এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয়। দীর্ঘ সময় পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেও অগ্রসর হতে না পেরে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে অবস্থান নেন। বৃষ্টির মধ্যেই চলে তাদের অবস্থান কর্মসূচি।
সাংবাদিকদের নাহিদ ইসলাম বলেন, হবিগঞ্জে তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, আহতদের দেখতে যাওয়া এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা।
তিনি অভিযোগ করেন, মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ পর্যন্ত পথে কয়েক দফায় বালুবাহী ট্রাক, ট্রাক্টরসহ বিভিন্ন যানবাহন দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। পরে মিরপুর এলাকায় পুলিশ তাদের আটকে দেয়।
তিনি বলেন, প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করায় তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমিতসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে শুধু মামলা করতে এবং আহতদের দেখতে যেতে চেয়েছিলেন। তবে পুলিশ তাদের সেই সুযোগ দেয়নি।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় সড়ক বন্ধ করে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এনসিপির নেতাকর্মীদের অগ্রযাত্রা সাময়িকভাবে আটকে দেওয়া হয়েছিল।
