

মানিকভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীতে দুই দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখার অন্তর্গত সোনাইমুড়ী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের দুই দিনব্যাপী প্রকাশনা উৎসব শুরু হয়েছে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ উৎসব শুরু হয়। উৎসবটি আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় সোনাইমুড়ী সরকারি কলেজ মাঠে এই প্রকাশনা উৎসবের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সভাপতি দাউদ ইসলাম, সোনাইমুড়ী উপজেলা জামায়াত ইসলামের আমির হানিফ মোল্লা, ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা উত্তর সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম এবং সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ।
সরেজমিনে দেখা যায়, এখানে শহীদদের নামানুসারে বিভিন্ন স্টল বসানো হয় এছাড়াও এখানে উৎসবে শিবিরের সমর্থক হওয়ার জন্য আলাদা কর্ণার ও বই পড়ার জন্য আলাদা কর্ণার রয়েছে। এই উৎসবে স্থলে আগত শিক্ষার্থীদের জন্য শিবিরের পরিচিতি বিষয়ক বিভিন্ন স্টিকার ও লিফলেট উপহারের ব্যবস্থা রয়েছে। নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি দাউদ ইসলাম সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম সহ সংগঠনটির অন্যরা নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উৎসব দেখতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশ উৎসবটি হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এখানে আসছেন এবং তা উপভোগ করছেন। সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় এখানে জুলাই বিপ্লবের সামগ্রিক বিষয়ভিত্তিক বই ও সকল শহীদদের পরিচিতি তুরে ধরা হয়েছে। ইসলামী চিন্তা চেতনার বই রয়েছে। এছাড়াও আমাদের বিভিন্ন স্টিকার ও পরিচিতি উপহার দেওয়া হয়েছে। যা আমাদের আনন্দিত করেছে। আসলে এতোদিন আমাদের শিবির সম্পর্কে ভুল বুঝানো হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি তারা খুব ভালো কাজ করছেন।
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি দাউদ ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা উৎসবটি আয়োজন করেছি। যাতে শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরের প্রকৃত কার্যক্রম বুঝতে পারে। শিবিরের আদর্শ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পারবে। ছাত্রশিবির একটি আদর্শিক প্রতিষ্ঠান। আদর্শ চর্চা ও প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হলো প্রকাশনা। বিগত সরকারের সময়ে আমাদের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু এই উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারবে আমাদের কার্যক্রম শিক্ষার্থী তথা মানব জাতির কল্যাণে।
পরিদর্শনকালে, বিভিন্ন অভিভাবক বলেন, শিবির খুবই চমৎকার একটি আয়োজন করেছে। আমি এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানাই। এমন সৃজনশীল আয়োজন বেশি বেশি হওয়া প্রয়োজন।

