ঢাকা
logo
প্রকাশিত : January 18, 2026

সমঝোতার সময় আর দুই দিন

সময় আর মাত্র দুই দিন। আজ ১৮ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষ হওয়ার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার দুটি আসন ছাড়া ২৯৮টি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এরপর ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনটি শেষ হলে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের যেমন নির্বাচনী মাঠ থেকে সরানো যাবে না, তেমনি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে ইসলামী আন্দোলনের আসার সম্ভাবনার পথও বন্ধ হয়ে যাবে।

নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়টি পার হওয়ার পর কোনো প্রার্থী যদি ভোটের মাঠে না থাকতে চান সেটি তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়; কিন্তু আইনত ব্যালট পেপারে তাঁর নাম ও প্রতীক বহাল থেকে যাবে।

জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে বেরিয়ে গত শুক্রবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও তাদের জোটে ফিরে আসার সুযোগ থাকার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

গতকাল শনিবার ঢাকার মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলনের জন্য জামায়াতের দরজা এখনো খোলা রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সবার জন্য জামায়াতের দরজা খোলা আছে।

চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছিল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলে, কিন্তু আসন ভাগাভাগিতে টানাপোড়েনের জেরে তারা গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে জোট ছেড়ে এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানায়।

দলটি জানায়, ইসলামের মৌলিক নীতির প্রশ্ন ও রাজনৈতিক আস্থাহীনতার কারণে ১১ দলীয় সমঝোতায় থাকছে না তারা। যে ২৬৮ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থিতা টিকেছে সেই ২৬৮ আসনে তারা এককভাবে নির্বাচন করবে। বাকি ৩২ আসনেও আদর্শিক বিবেচনায় কোনো না কোনো প্রার্থীকে সমর্থন জানাবে।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীও তাদের জোটসঙ্গীদের সহ মোট ২৫৩টি আসনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করলেও ৪৭টি আসনের প্রার্থী সম্পর্কে গতকাল শনিবার পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেই।

এ আসনগুলোতে জোটের দলগুলোর প্রার্থীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। আগামী দুই দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে।

এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতকাল যে বিবৃতি দিয়েছে তাতে দলটি এককভাবে নির্বাচন করার পথে হাঁটছে বলে অনেকে মনে করছে। দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী শাহ ইফতেখার তারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘বেশ কিছু নিউজ পোর্টালে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড (দাসেরকান্দি) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতিসহ ১০ জন নেতাকর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন মর্মে প্রকাশিত সংবাদটি বানোয়াট, সর্বৈব মিথ্যা এবং হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি, একটি বিশেষ দলের পক্ষ থেকে পরিবেশিত বানোয়াট সংবাদ যাচাইবিহীনভাবে প্রকাশ করা দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমে কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘যে দল এসব অপতথ্য ছড়াচ্ছে, তারা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে দিয়ে কিভাবে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করবে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। মিথ্যা প্রচারকারী দল কখনো দেশ ও জাতির কল্যাণকামী নয়।’

এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিবেদকরা জানান, অনেক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এখনো বহাল। এসব প্রার্থী এখনো তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট দুই হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৪৭৮ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকেই বিএনপির বিদ্রোহী। রিটার্নিং অফিসারদের যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়েন ৩৩৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এঁদের অনেকেই নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন এবং গত শনিবার পর্যন্ত ১৪৩ জন তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পান।

বিএনপির বিদ্রোহীদের আংশিক চিত্র : খাগড়াছড়ি আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বাদ পড়লেও আপিলে বৈধতা পেয়ে ভোটের মাঠে ফিরেছেন। এই আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ওয়াদুদ ভুইয়া। এই আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন। ১১ দলীয় জোটের সমঝোতা না হলে এই দুই দলের প্রার্থীই ভোটে থাকতে পারেন।

মেহেরপুরে দুটি আসনের কোনোটিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। মেহেরপুর-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সোহেল রানা আপিলের মাধ্যমে মনোনয়ন ফিরে পেলেও জামায়াতকে সমর্থনের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আসন দুটিতে জাতীয় পার্টির একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।

মৌলভীবাজারের চারটি আসনে মধ্যে একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। আসনটি হচ্ছে মৌলভীবাজার-৪। এই আসনে বিএনপির মজিবুর রহমান চৌধুরী ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার পাঁচবারের মেয়র জেলা বিএনপির সদস্য মো. মহসিন মিয়া মধু। ময়মনসিংহের পাঁচটি আসনেই বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন। ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট) আসনে বিএনপির প্রার্থী আছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। স্বতন্ত্র হিসেবে আছেন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর রুবেল। ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন। স্বতন্ত্র হিসেবে আছেন গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক তায়েবুর রহমান হীরন। ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী আছেন আখতারুজ্জামান বাচ্চু। স্বতন্ত্র হিসেবে আছেন জেলা (দ.) বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ সিদ্দিকুর রহমান এবং সদস্য মুশফিকুর রহমান। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ইয়াসের খান চৌধুরী। স্বতন্ত্র হিসেবে আছেন সাবেক প্রভাবশালী বিএনপিদলীয় এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান এবং উপজেলা কমিটির সদস্য মামুন বিন আব্দুল মান্নান। ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ফখরুদ্দিন বচ্চু। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

নওগাঁ-১ (পোরশা-সাপাহার-নিয়ামতপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সালেক চৌধুরীও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। এরই মধ্যে ডা. সালেক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) বিএনপির প্রার্থী ফজলে হুদা বাবুল। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনিও মাঠে রয়েছেন। নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির। বর্তমানে বিএনপিতে তাঁর কোনো পদ নেই। নওগাঁ-৪ (মান্দা) ও নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে বিএনপির এই ধরনের সমস্যা নেই। নাটোরের দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চারজন। নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাঁর আপন ভাই ও লালপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু এবং বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু। এই আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। নেত্রকোনা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা জামান শ্রাবণী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী। নেত্রকোনা-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে দলটির সাবেক সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মো. সালেক চৌধুরীও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক বিরোধীদলীয় হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির জাতীয় কমিটির সাবেক সদস্য কাজী মফিজুর রহমান মাঠে রয়েছেন। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামিম। এই আসনে বিএনপির দুজন বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ভোটে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে মাঠে রয়েছেন। তাঁরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী ফজলুল আজিম এবং হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তানভির উদ্দিন রাজিব।

পাবনায় পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চারজন। পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাসুদুল হক, পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে সাবেক এমপি ও চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সরদার এবং ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু। তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে সীমানা জটিলতার কারণে নতুন করে তফসিল ঘোষণা হওয়ায় প্রার্থী কিছু পরিবর্তন হতে পারে। নতুন তফসিল অনুযায়ী আজ ১৮ জানুয়ারি রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি দাখিল করা মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। পঞ্চগড়-২ আসনে রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী। একজন বিএনপির বহিস্কৃত নেতা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রহিমুল ইসলাম বুলবুল, অন্যজন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য প্রয়াত মোজাহার হোসেনের ছেলে মাহমুদ হাসান সুমন।

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন। আসনটিতে আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেক। রাজশাহী-৫ আসনে (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ইশফা খায়রুল হক শিমুল ও ব্যারিস্টার রেজাউল ইসলাম।

সাতক্ষীরা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন। আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. শহিদুল আলমও মাঠে রয়েছেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে শুধু একটি আসনেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সদস্য দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।

ভোলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটি জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আসনগুলোতে বিএনপির কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বিএনপি জোটের শরিকরা।

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে একটিকে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী। আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে আছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা ও বাঁশখালীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লেয়াকত আলী।

ফেনী জেলার তিনটি আসনেই নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে পড়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। রিটার্নিং অফিসারদের যাচাই-বাছাই এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিলে তাঁরা বাদ পড়েন।

গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি। আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক দল নেতা মো. সালাউদ্দিন সরকার।

গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. কে এম বাবর। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটযুদ্ধে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এইচ খান মঞ্জু ও এম সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

জামালপুর জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই নেই বিএনপির কোনো বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী। জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ।

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram