

রাজধানীর খিলগাঁওস্থ বাবাডেরা রেস্ট্রুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টার হাউজে ‘স্ব-সহায়ক দলের অর্জন, শিখন ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ বিষয়ক সম্মিলনের আয়োজন করা হয়।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও খ্রিস্টান এইড-এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং ডিজএ্যাবল্ড চাইল্ড ফাউন্ডেশন (ডিসিএফ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মিলনে ডিসিএফ কতৃক বাস্তবায়িত ‘সক্ষমতা’ প্রকল্পের ৬টি স্ব-সহায়ক দলের অর্জন, অভিজ্ঞতা শিখন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয় এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন জীবিকা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে ভবিষ্যৎ করণীয় ও সমন্বয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হয়।
ডিসিএফ-এর নির্বাহী পরিচালক নাসরিন জাহানের সঞ্চালনায় এবং প্রতিষ্ঠানটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবু সাদত মোহাম্মদ সালেহ, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা তানমিন ইসলাম এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শেখ গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য ডিসিএফ-এর ন্যায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনকে আরো বেশি অর্থায়ন ও কাজের সুযোগ করে দিতে হবে। সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকারের প্রদেয় সকল নাগরিক সেবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অন্তর্ভূক্তিমূলক করার লক্ষ্যে সকল সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তারা আরো বলেন, সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অপ্রবেশগম্য অবকাঠামো প্রতিবন্ধীতা বিষয়ক ভ্রান্ত ধারণা এখনো আমাদের সমাজে বিদ্যমান রয়েছে। এসকল বাধা দূরীকরণে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩ সর্বস্তরে পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়ন করতে হবে।
এয়াড়াও অনুষ্ঠানে সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন (ওপিডি)-এর প্রতিনিধি, স্ব-সহায়ক দলের প্রতিবন্ধী সদস্যবৃন্দ. স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও খ্রিস্টান এইড-এর আর্থিক সহযোগিতায় ডিজএ্যাবল্ড চাইল্ড ফাউন্ডেশন (ডিসিএফ) ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ড এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১, ২২, ও ২৩ নং ওয়ার্ডে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবিকায়ন বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে সক্ষমতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কর্ম-এলাকায় মোট ২৫০০ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের পরিবার ইতোমধ্যে উপকৃত হয়েছেন। স্থানীয় সরকারের অফিসসমূহে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশগম্যতা ও সেবা গ্রহণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
