

রাতে ঢাকায় ৩ দফায় বৃষ্টি ঝরেছে। সিলেটে বৃষ্টি না হলেও আকাশ ছিল মেঘলা, জ্বলছিল ফ্লাডলাইট। এমন পরিবেশ পেসারদের জন্য আদর্শ। এমন কন্ডিশন পেয়ে তাসকিন আহমেদরা শুরুতেই চাপে ফেলেছিলেন পাকিস্তানকে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজও ভেলকি দেখিয়েছেন। দুয়ের মিশেলে সকালের সেশনে বাংলাদেশ তুলে নিয়েছে ৪ উইকেট। পাকিস্তানকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ গিয়েছে মধ্যাহ্ন বিরতিতে। বিরতির আগে পাকিস্তান তুলেছে ৯৬ রান, খুইয়ে বসেছে সেই ৪ উইকেট।
প্রথম দিন শেষে লিটন দাস জানিয়েছিলেন, বোলারদের দিকে তাকিয়ে আছে দল। বোলাররা আজ সকালে সে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন ভালোভাবেই। শুরু থেকেই চাপে রেখেছেন পাক ব্যাটারদের।
তার সফলতা মেলে দিনের দ্বিতীয় ওভারেই। পাকিস্তানকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটন দাসের কাছে। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দুই হাতে সেই ক্যাচ ধরেছেন লিটন।
প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান আজান ওয়াইসও সাজঘরের পথ ধরেছেন একটু পর। তাসকিন আহমেদের একটু দেরিতে সুইং করা ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত হয়ে শর্ট লেগে ক্যাচ দেন তিনি। ৩৪ বল খেলে মাত্র ১৩ রান করে ফিরেছেন আজান।
এরপর শান মাসুদ ও বাবর আজম মিলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে বাংলাদেশ সুযোগ তৈরি করেছে ঠিকই। শরীফুল ইসলামের একটি ডেলিভারি বাবরের ব্যাট ছুঁয়ে অল্পের জন্য লিটনের মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়।
একটু পর নাহিদ রানার বলে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তার ১৪৪ কিমি গতির বল শান মাসুদের প্যাডে আঘাত হানে। যদিও রিভিউতে দেখা যায়, বলটা তার ব্যাটে লেগেই প্যাডে গিয়েছিল।
এরপরও অবশ্য বেশিক্ষণ টেকেনি মাসুদ-বাবরের জুটি। শরিফুলকে সরিয়ে নাহিদ রানাকে আনেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। অন্য প্রান্তে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ওভারেই মাসুদকে আউট করেন মিরাজ।
তার ডেলিভারিতে শর্ট কাভারে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২১ রানে ফিরেছেন মাসুদ। তখন পাকিস্তানের রান ৬১।
এরপর মিরাজ চাপ তৈরি করতে থাকেন সৌদ শাকিলের ওপর। ২৮ বলে মাত্র ৮ রান করেছিলেন শাকিল। সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে সুইপ শট খেলতে গিয়েছিলেন। বলটি ব্যাটের আগায় লেগে ওপরে উঠে যায়। সহজ ক্যাচ ধরেন লিটন। ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান।
এরপর বাবর আজমের ব্যাটে আশা দেকছে পাকিস্তান। ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। এখন তিনি জুটি গড়েছেন সালমান আলী আগার সঙ্গে। ১৭ রানে অপরাজিত আছে তাদের এই জুটি।

