

অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টির অভিযোগে মস্কোয় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের এক শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এফএসবি) দাবি করেছে, ওই কূটনীতিক গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন।
মস্কোতে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি আলবার্তাস গেরহার্ডাস জেনস ভ্যান রেনসবার্গের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রুশ নাগরিকদের ব্রিটিশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের যোগাযোগ থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ক্রেমলিন।
রুশ গোয়েন্দা সংস্থা এফএসবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বহিষ্কৃত কূটনীতিক ভ্যান রেনসবার্গ এমন সব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন, যা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। রাশিয়ার দাবি, চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য ‘স্নায়ুযুদ্ধের’ ধাঁচে রাশিয়ার অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে ‘ভীতি প্রদর্শন’ এবং ‘ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাশিয়ার আনা এই অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
যুক্তরাজ্যের মতে, এটি রাশিয়ার একটি পরিকল্পিত উসকানি, যা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরো অবনতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ইউক্রেন যুদ্ধে কিয়েভকে সবচেয়ে বড় সামরিক ও আর্থিক সহায়তাকারীদের মধ্যে অন্যতম দেশ হলো যুক্তরাজ্য। অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সাইবার হামলা ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য রুশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দায়ী করে আসছে।
সূত্র : রয়টার্স
