

পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন বলেছেন, উৎসব শুধু উৎসব নয়, মনের ভেতর যত কুবুদ্ধি, কুচিন্তা, হিংসা, লোভ আছে সব দূর হয়ে যায়। একটি পরিচ্ছন্ন মন নিয়ে একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা ভাব নিয়ে যেতে পারি। এ দেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ। সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ছিল ছাত্র জনতার, সেটি ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার। আজকের যে অনুষ্ঠান তার প্রমাণ করে এখানে কোন বৈষম্য নাই। আমরা এ দেশকে ভালবাসি। আমরা এ দেশের প্রতিটা জিনিস রক্ষা করবো এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব। আজকের যে আন্তঃজেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সেটি ছিল দেশপ্রেম, হিংসা বিদ্বেষ নেই।
জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আন্তঃজেলা সাংস্কৃতিক বিনিময় অনুষ্ঠান-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বুধবার সন্ধ্যায় মণিপুরী ললিতকলা একাডেমিতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে ও মণিপুরী ললিতকলা একাডেমির সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ ইসরাইল হোসেন।
মনিপুরী লালিতলা একাডেমির উপ-পরিচালক প্রভাস চন্দ্র সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এম. কে. এইচ. জাহাঙ্গীর হোসেন, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার সাদিকুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তামান্না রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মং মারমাসহ আরো অনেকে।
পরে মণিপুরী ললিতকলা একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক সুতেপা সিনহার ও অভিতা চাকমার যৌথ সঞ্চালনায় খাগড়াছড়ি জেলা ও মৌলভীবাজার জেলার সংস্কৃতি নৃত্য ও গানে গানে পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
