

আবু হেনা সাকিল, রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে ছাত্রদল মাত্র ৩০ মিনিটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) থেকে বের করে দিতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন রাবি শাখা ছাত্রদল নেতা সোহাগ।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে রাবি শাখা ছাত্রদল তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল করেন। মিছিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
রাবি ছাত্রদল নেতা সোহাগ বলেন, যারা উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার অফিসে দেয় তালা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে তারা। শিক্ষক লাঞ্ছনায় রাবি ছাত্রদলের বিবৃতি শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও, ফুটেজ খোর আম্মার তার বিরোধিতা করেছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, ছাত্রদলের সাথে লাগতে আসিয়েন না। রাবি ছাত্রদল মাত্র ৩০ মিনিটে আপনার মতো ফুটেজ খোর সালাউদ্দিন আম্মারকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।
রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহি বলেন, ২৫ তারিখের পর থেকে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী বা কর্মকর্তা ভয় নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে না। তাদের সকলকে সমান নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। এই নিরাপত্তা কোনো সন্ত্রাসী বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলে তাকে মেরে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান রইল।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মার নিজের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে অনেকটা ব্যঙ্গ করেই প্রতি উত্তর দিয়েছেন, ছাত্রদলের এক চাচা আজ ঘোষণা দিলো ৩০মিনিটে তালা মেরে দিবে, বলি চাচা শুনেন!মোন দিয়ে শুনবেন!ক্যাম্পাসে ২০০৭ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত কুকুর বিড়ালের মতো এই ক্যাম্পাসে পড়ে থেকে ক্যাম্পাসের বোঝা হবো না। ১দিন থাকলে থাকার মতো করেই থাকবো।
তিনি ঐ পোষ্টে আরও বলেন, রাকসুর সাধারণ সম্পাদকের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যা কাজ আছে সব করতেছি কিনা একবার দেখে যাইয়েন, কাজ করার পরেও যদি রাকসুতে আসছেন ১,২,৩,৪ করে দিবো। তার থেকে বড় কথা কোনো মেয়াদ উত্তীর্ণ অছাত্র রাকসুর আশেপাশেও যেন না দেখি। তাদের জন্য রুয়া আছে, রাকসুতে তাদের কাজ নাই। আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের উৎখাতে কাজ করবো, সাহস থাকলে আসো চান্দাভাই।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) সালাউদ্দিন আম্মার 'অপারেশন জিরো টলারেন্স এগেনেইস্ট ফ্যাসিস্ট' ঘোষণা করে রাবির আওয়ামীপন্থী ডিনদের অপসারণ করানোর জন্য পদত্যাগ পত্র তৈরি করে তাদেরকে খোঁজেন। একই দিনে তিনি বিভিন্ন বিভাগে গিয়ে আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদেরও খুঁজে বেড়ান।পরবর্তীতে অপারগতা প্রকাশ করে রাবির ৬ ডিন পদত্যাগ করেন।
