

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চৈত্রের শুরুতেই রূদ্ররূপ ধারণ করেছে কালবৈশাখী। চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত রবিবার রাতে তাণ্ডব চালায় কালবৈশাখী। এতে জেলার ভোলাহাট, নাচোলসহ বিভিন্ন উপজেলায় বেশ কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছপালা, সজনে ডাটার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ায় অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। নেসকো ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাঠকর্মীদের গভীর রাতেও কাজ করতে দেখা যায়।
শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাটের আম ব্যবসায়ী মো. মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার বিকেল পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন বন্ধ ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান বলেন, রাতের ঝড়ে মাঠের মধ্যে একটি বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছিল। যা খুঁজে পেতে অনেকটা সময় লেগেছে। তবে বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির যৌথ উদ্যোগে ঝড়ে পড়া বিভিন্ন গাছপালা রাস্তা থেকে অপসারণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুত বিদ্যুতের লাইন মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়। এজন্য সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
অন্যদিকে নাচোল উপজেলার কৃষক আব্দুল জাব্বার জানান, ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে ঘরের টিন উড়ে গেছে, গাছপালা ভেঙে পড়েছে। এছাড়া গম ও আখের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
তবে ফসলের কোনো ক্ষতি হয়নি জানিয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী জানান, জেলায় গড় বৃষ্টি হয়েছে ১৫ মিলিমিটার। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১০ মিলিমিটার, শিবগঞ্জে ২০, গোমস্তাপুরে ২০, নাচোলে ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে কৃষি অফিস। তবে ভোলাহাট উপজেলায় তেমন বৃষ্টি হয়নি।

