ঢাকা
৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
রাত ২:৫৬
logo
প্রকাশিত : জানুয়ারি ৬, ২০২৫

ত্রিশালে অবাধে তৈরি হচ্ছে নামিদামি ব্র্যান্ডের নকল পণ্য

মমিনুল ইসলাম, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: মূল উপাদান ছাড়াই শুধুমাত্র ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে নামিদামি ব্র্যান্ডের আদলে মোড়কজাত করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে জুস, আচার, সুগন্ধি চাল, চিনি, ডিটারজেন্ট, সেমাইসহ কয়েক ধরনের নকল পণ্য অবাধে উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের আনোয়ার হোসেন শামীম নামের এক ব্যক্তি। মেসার্স সিফাত এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে পণ্যের পরিবেশক পরিচয়ে এ কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি খাদ্যপণ্য নকল করার অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন শামীমের গোডাউনে গেলে এই দৃশ্য দেখা যায়। তবে মেসার্স সিফাত এন্টারপ্রাইজের মালিক শামীম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি আগে এগুলো তৈরি করতাম কিন্তু এখন করি না। আমি ছাড়াও এ এলাকায় আরও প্রায় ২০ জন এ কাজ করে।

গোডাউন ঘুরে দেখা যায়, বনফুল লাচ্ছা সেমাই, চাষি চিনিগুড়া চাল, অর্গানিক আখের চিনি, ছালেহা আচার, ডিটারজেন্টের খালি মোড়ক। তাছাড়াও সন্দেশ, বাচ্চাদের খাওয়ার আইচ ললি রোবট ও মেয়াদহীন লিন ম্যাংগু জুস, এগুলো তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও এগুলো তৈরির রাসায়নিক দ্রব্য। অভিযোগ রয়েছে, তিনি যৌন উত্তেজক বড়ি ও সিরাপ তৈরি করে কৌশলে বাজারজাত করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবৎ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, আমি আগে এগুলো তৈরি করতাম, এখন গাজীপুর থেকে মাল এনে সাপ্লাই দেই। গোডাউনে থাকা পণ্য গুলোর মেয়াদ ও অনুমোদন না থাকা বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে বলে, এগুলো আমার জানা নাই, যেখান থেকে আনি তারা জানে। তাদের কাছে জিগাইন। বিভিন্ন পণ্যের মোড়ক, যন্ত্রাংশ ও রাসায়নিক দ্রব্য এখনো তাহলে গোডাউনে কেন প্রশ্ন করা হলে সে বলে, এগুলো কি ফেলে দেবো! টাকা দিয়ে কিনেছি। অন্যদের কাছে বিক্রি করে দেবো।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস.এম জিয়াউল বারী বলেন, প্রতিবছর অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের জন্য চার লাখ বিশ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। এ বিষক্রিয়া দিয়ে তৈরি পণ্যগুলো শিশু থেকে বৃদ্ধ যেই খাবে না কেন, সবারই বিভিন্ন জটিল রোগ ও ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।

উপজেলা সেনেটারী ইন্সপেক্টর আবুবক্কর সিদ্দিক বলেন, এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। এখন যখন জেনেছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি শুনেই বিএসটিআইকে অবগত করেছি। তাদেরসহ আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করবো।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram