ঢাকা
১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
দুপুর ১২:১৭
logo
প্রকাশিত : মে ১১, ২০২৬

পে স্কেলে বিশেষ ভাতা নিয়ে সুখবর

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন পে স্কেল একবারে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, এই নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি খসড়া বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্ভর করবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর, যা ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাবে কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতা বাড়ানোর বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

বৈশাখী ভাতা : বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ দেওয়া হলেও তা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব।

টিফিন ভাতা : ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ।

শিক্ষা ভাতা : সন্তানদের জন্য মাসিক ১ হাজার ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করে ২ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে সরকার দুটি পদ্ধতি বিবেচনা করছে। একটি হলো তিন ধাপে বাস্তবায়ন, অন্যটি পরবর্তী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি।

প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। পরবর্তী বছরে বাকি অংশ সমন্বয় করা হবে। আর বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা তৃতীয় বছরে দুই ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আয় এবং সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি চূড়ান্ত সুপারিশ দিলে তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নবম পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিতে। বাকি অর্থ ব্যয় হবে পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য।

আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হচ্ছে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতার জন্য বছরে প্রায় ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা এবং পেনশনভোগীদের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪ লাখ চাকরিজীবী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

নবম পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোতে ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। সে সময় প্রথমে মূল বেতন এবং পরের বছর বিভিন্ন ভাতা কার্যকর করা হয়। এবারও একই ধরনের ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথেই হাঁটতে পারে সরকার।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram