ঢাকা
১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
রাত ১০:৫৯
logo
প্রকাশিত : মার্চ ৭, ২০২৬

যানজট ঝুঁকি মহাসড়কের ২০৭ পয়েন্টে

ঈদুল ফিতর সামনে রেখে বাস ও ট্রেনে আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত মঙ্গলবার থেকে। গত বৃহস্পতিবার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে প্রস্তুতিসভা হয়েছে সড়ক মন্ত্রণালয়ে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার গুরুত্বপূর্ণ ২২টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু সড়ক খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা কঠিন হবে যদি

সমন্বয় ও ধারাবাহিক তদারকি ব্যবস্থা ব্যাহত হয়।

তদুপরি প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক নাজুক অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের জন্য মহাসড়কে তীব্র যানজটের শঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটপ্রবণ স্থান আছে ২০৭টি।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সড়ক ও মহাসড়কের সংস্কারকাজ ঝুলে পড়েছিল।

বিভিন্ন প্রকল্পের কাজও থমকে থাকে। আবার বিমানবন্দর-গাজীপুর অংশে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট-বিআরটির মতো বড় প্রকল্পের বাকি কাজও বাতিল করা হয়। সাবেক সড়ক, রেল ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান সভা ও পরিদর্শন কাজে তৎপরতা দেখালেও সড়ক খাতের উন্নয়নকাজ কার্যত থমকে ছিল। এ অবস্থায় আগামী ঈদযাত্রায় তার প্রভাব পড়বে।

বিশেষ করে সংস্কারহীন সড়কে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। যদিও সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে তৎপরতা চালাচ্ছেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার সড়ক মন্ত্রণালয়ে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি বৈঠক করেন। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা, মালিক-শ্রমিক সংগঠন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা তাতে অংশ নেন। সভা শেষে মন্ত্রী জানান, ঈদের আগে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে, তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ।

তবে তিনি মনে করেন, সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি তৎপর থাকবে এবং সমন্বিত প্রস্তুতির মাধ্যমে স্বস্তির ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে। মহাসড়কে অস্থায়ী দোকান, অবৈধ পার্কিং ও ব্যাটারিচালিত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। চলাচলের অনুপযোগী বা বিকল হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন সড়কে নামতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি সড়কের চলমান সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পোশাক কারখানাগুলো ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঈদযাত্রার প্রস্তুতিপর্বে মহাসড়কের অবস্থা সরেজমিনে গিয়ে দেখেছেন বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধিরা। তাঁদের কাছ থেকে জানা গেছে, কোথাও সংস্কারকাজের জন্য যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও আবার হেঁটে চলাচল করা দুরূহ।
বুয়েটের অধ্যাপক, সড়ক খাতের বিশেষজ্ঞ ড. সামছুল হক গতকাল রাতে বলেন, উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ ঈদযাত্রার শুরুর আগে শেষ করার জন্য সরকারের নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে ঢাকা থেকে ফিটনেসহীন ও ছোট ছোট গাড়ির বিশৃঙ্খল চলাচল। যান চলাচল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সমন্বয় ও তদারকি থাকতে হবে। পুলিশ এখানে নজরদারি বাড়াতে পারে। তবে এবার আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে।

মহাসড়ক পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা বলেন, ‘আশা করা যায় এবার ঈদযাত্রা আগের চেয়ে স্বস্তিদায়ক হবে। এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য মহাসড়কে মোতায়েন করা হয়েছে।

মহাসড়কে যানজটপ্রবণ ২০৭ স্থান : মহাসড়ক পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদযাত্রায় দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটের সম্ভাব্য ২০৭টি স্থান রয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৫৯টি। যানজটের এসব স্পট ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে আছে ১৪টি স্থান, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ৫৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ৪৩টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৯টি, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১৪টি এবং যশোর-খুলনা মহাসড়কে ছয়টি স্থান।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিভাজকে বিপদ : আমাদের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২৫টি স্থানে সড়ক বিভাজক ভেঙে কাত হয়ে বা সম্পূর্ণ পড়ে গেছে। এ কারণে কোথাও বড় ফাঁকা তৈরি হয়েছে, কোথাও ডিভাইডারের অংশ ঝুঁকে আছে মহাসড়কের ওপর। এসব ফাঁক দিয়ে অবাধে পারাপার করছেন পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীরা। মহাসড়কটিতে সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ যানবাহন তারচেয়ে বেশি গতিতে চলে। এমন পরিস্থিতিতে ডিভাইডারের খোলা অংশগুলো হয়ে উঠেছে ‘মৃত্যুফাঁদ’। মাতুয়াইল, সাদ্দাম মার্কেট, সাইনবোর্ড, সানারপাড়, মৌচাক, চিটাগাং রোড, কাঁচপুর, মদনপুর ও মোগরাপাড়ায় এসব বিভাজকের অবস্থা নাজুক। নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে কিছু স্থানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংস্কারকাজ শুরু করা হয়েছে।

আশুলিয়ায় খানাখন্দ : আমাদের সাভার প্রতিনিধি ওমর ফারুক জানান, আশুলিয়ার নবীনগর, চন্দ্রা ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিনই উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচল করে। ডিইপিজেড থেকে আবদুল্লাহপুর হয়ে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের ইপিজেড থেকে বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড ও বাইপাইল থেকে আবদুল্লাহপুর মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ বেশি। পোশাক শ্রমিক আলো আক্তার বলেন, প্রতিনিয়ত মহাসড়কের এসব গর্তে গাড়ি আটকে বা উল্টে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। ঢাকা জেলা উত্তরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (অ্যাডমিন) মো. রুহুল আমিন সোহেল বলেন, ‘উন্নয়নকাজের কারণে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। তবে যানজট কমাতে আমরা চেষ্টা করছি।’

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভোগান্তি : সিলেট থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক ইয়াহইয়া ফজল জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ ধীরগতিতে চলছে। এই মহাসড়ক এখন ভোগান্তির আরেক নাম। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে পাঁচ ঘণ্টার যাত্রা ২৩ ঘণ্টায়ও ঠেকে। কয়েক দিন আগে সরেজমিন দেখা গেছে, সিলেট মহানগরীর হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে মহাসড়কের ১০০ গজের মধ্যে কালভার্টের দুই পাশের অংশই ভাঙা। কালভার্ট থেকে ৫০০ গজের পর দীর্ঘ অংশ ভাঙাচোরা। সেখানে সারি সারি ইট বসানো হচ্ছিল। চণ্ডীপুল থেকে তেতলি অংশের অবস্থা আরো করুণ। লালাবাজার থেকে মোগলাবাজার অংশের বেশির ভাগই ভাঙাচোরা। কোনো অংশে বসানো হয়েছে ইট। মোগলাবাজার থেকে ছয় লেন প্রকল্পের কাজ চলতে দেখা গেছে। কিছু কিছু জায়গায় মাটি ভরাট করে কার্পেটিংয়ের প্রস্তুতি চলছিল। গোয়ালাবাজারে ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে হাজি মার্কেটের সামনে পর্যন্ত আবার ভাঙাচোরা। স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে গত সেপ্টেম্বরে সেখানে কার্পেটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। তবে মোহনলাল এলাকা থেকে গোয়ালাবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অংশ ভাঙাচোরা। সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের অংশ, দয়ামীর থেকে কুরুয়া বাজারের মধ্যবর্তী অংশও নাজুক। সিলেট সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আমির হোসেন বলেন, ‘মহাসড়কের কাজ চলমান আছে। যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে আমরা সচেষ্ট আছি।’

কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটারে দুর্ভোগ : কুষ্টিয়া থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক তারিকুল হক তারিক জানান, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কুষ্টিয়ার ১৯ কিলোমিটার অংশ এখন চলাচলের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা মেঠোপথে রূপ নেওয়া মহাসড়কে পাথর ও বিটুমিনের অস্তিত্ব নেই। এবড়োখেবড়ো ইট বিছানো ধুলাময় এ অংশ দিয়ে দিনে গড়ে প্রায় ১০ হাজার গাড়ি চলাচল করে। গাড়িচালকরা জানান, ভাঙাচোরা মহাসড়কে তাঁদের গাড়ি নিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বটতৈল মোড় থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত ও মজবুতীকরণ কাজ শুরু হয়। মহাসড়কের দুই পাশে পাঁচ ফুট বাড়িয়ে ৩৪ ফুট প্রশস্ত করা হয়। ২০২৩ সালের ৩০ জুনের মধ্যে এই কাজ শেষ হওয়ার এক বছর যেতে না যেতেই পিচ উঠে এই অংশে খানাখন্দ বাড়তে থাকে। কয়েক দিন আগে সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাদালিয়া থেকে উজানগ্রাম ও বিত্তিপাড়া বাজার হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অংশ হেঁটে চলাচল করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে। কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল করিম বলেন, ‘মহাসড়কের বেশ কিছু অংশ খারাপ তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বেশি খারাপ অংশের কাজ করতে দরপত্র সম্পন্ন করে কার্যাদেশও দিয়েছি।’

রংপুরে ৩৫ কিলোমিটার গর্তভরা : রংপুর থেকে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, রংপুর সড়ক বিভাগের ৩৯৫.৭৫ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে প্রায় ৩৫ কিলোমিটারে খানাখন্দ রয়েছে। সংস্কারের অভাব, ভারী যানবাহনের চাপে এ অবস্থা হয়েছে। মেরামতের জন্য ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর মেডিক্যাল পূর্বগেট থেকে বুড়িরহাট পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দময়। মডার্ন মোড় থেকে টার্মিনাল পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়কে ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। রংপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এ সড়ক বিভাগের ৩৫ কিলোমিটার অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারকাজ চলছে।’

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ২৩ কিলোমিটার মৃত্যুফাঁদ : বরিশাল থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক রফিকুল ইসলাম জানান, ভাঙ্গা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের উজিরপুর জয়শ্রী বাসস্ট্যান্ড থেকে গৌরনদীর ভুরঘাটা পর্যন্ত ২৩ কিলোমিটারে সংস্কারকাজ চলছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের অধিকাংশ স্থানে ছোট-বড় গর্ত, কোথাও মহাসড়ক ফেটে গেছে, কোথাও বিশাল অংশ দেবে গেছে। বরিশাল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর যানবাহন বাড়ায় মহাসড়কের ২৩ কিমি অংশে প্রশস্তকরণ ও সংস্কারকাজ অব্যাহত রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থা বেশি খারাপ। তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। গর্তগুলো ইট-বালু দিয়ে ভরাট করা হলেও তা উঠে যাচ্ছে। এসব স্থানে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ ছোট গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অহরহ।

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে বেহাল আট কিলোমিটার : খুলনা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক কৌশিক দে জানান, খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের সংস্কারকাজ চলছে পাঁচ বছর ধরে। তবে মহাসড়কের প্রায় আট কিলোমিটার অংশ এখন ভোগান্তির বড় কারণ। এ বেহাল অংশ সংস্কারে গত নভেম্বরে নতুন করে সংস্কারকাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ কোটি টাকা। ডুমুরিয়া উপজেলার কাঁঠালতলা- চুকনগর অংশের কাজ চলছে। সংস্কারকাজের জন্য এ অংশে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত আরো আট কিলোমিটার ঢালাই করতে ১০০ কোটি টাকার চাহিদার বিপরীতে ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram