ঢাকা
logo
প্রকাশিত : January 18, 2026

‘সুদ’ থেকে আয়ের ব্যাপারে এবার মুখ খুললেন তাহেরি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। সম্প্রতি তার নির্বাচনী হলফনামার কিছু তথ্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে আয়ের একটি খাতে ‘সুদ’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

এ বিষয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন তাহেরি। তিনি দাবি করেন, পুরো বিষয়টি একটি ভুল বোঝাবুঝি এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়িয়েছে।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা ও কৃষি। হলফনামায় তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ দেখানো হয়নি।

হলফনামা থেকে জানা যায়, তাহেরির পেশা ব্যবসা এবং তার স্ত্রী গৃহিণী। সব সম্পদই তাহেরির নিজের নামে রয়েছে; স্ত্রীর নামে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নেই। এমনকি স্ত্রীর নামে কোনো স্বর্ণালংকারও দেখানো হয়নি। তবে তাহেরির নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণ রয়েছে।

আয়ের খাত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন—কৃষি থেকে বছরে আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা, ব্যবসা থেকে ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা এবং বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও ব্যাংক সুদ বাবদ আয় ২২ হাজার ৮৯২ টাকা।

এই একই কলামে বন্ড, সঞ্চয়পত্র, আমানত ও সুদ একসঙ্গে উল্লেখ থাকলেও গণমাধ্যমে কেন শুধু ‘সুদ’-এর বিষয়টি আলাদা করে তুলে ধরা হয়েছে, সে প্রশ্ন তুলেছেন তাহেরি। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত কলামে ব্যাংকে রাখা টাকার পরিমাণ এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত মুনাফা—দুটিই উল্লেখ করার নিয়ম রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রচারিত হলেও তার কাছ থেকে কেউ জানতে চাননি এই আয় আসলে কোন খাত থেকে এসেছে। তাহেরির ভাষায়, “নির্বাচন কমিশনের কলামে বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও সুদ—সবই একসাথে আছে। আমি কি আলাদা করে শুধু সুদের ওপর টিক চিহ্ন দিয়েছি? যারা এটি প্রচার করেছে, তারা আমার কাছ থেকে না জেনেই করেছে।”

তিনি আরও যুক্ত করেন, সুদের অর্থ জমা হলেও কেউ চাইলে সেই অর্থ সওয়াবের আশা না করে অন্য কোনো খাতে ব্যয় করতে পারে। কোন প্রেক্ষাপটে এই অর্থ জমা হয়েছে, তা না জেনেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে টার্গেট করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের হলফনামার কাঠামো নিয়েও মন্তব্য করেন তাহেরি। তার মতে, বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও সুদের জন্য আলাদা আলাদা কলাম থাকলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা যেত। তিনি বলেন, “একই কলামে সব একসাথে না রেখে আলাদা কলাম থাকলে কোন প্রেক্ষাপটে এবং কোন উদ্দেশ্যে অর্থ এসেছে, তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা সম্ভব হতো।”

‘এখানে ৪-৫টা বিষয় দেওয়ার পরও কেবল সুদটাই তুলে নিয়ে আসলেন, এটা কোন খেলা আমি বুঝলাম না ভাই! ৩০০ আসনের প্রার্থী তো হলফনামায় এটা উল্লেখ করেছে! আমার তো মাত্র ২২ হাজার ছিল, এখানে তো ৫ লক্ষ, ৭০ হাজার, ৯০ হাজার অনেকের অনেক টাকা এখানে উল্লেখ আছে। আপনি তাদেরটা ধরলেন না, আমারটা ধরলেন!’

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram