ঢাকা
২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সকাল ৭:০০
logo
প্রকাশিত : মার্চ ৪, ২০২৫

জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা

‘জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা’-এটি দৈনিক বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় মোট ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার। সে অনুযায়ী প্রতি মাসে গড়ে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকার বেশি। যদিও অভ্যুত্থানের পরে গত সাত মাসে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে এ বিপুল পরিমাণ খরচের বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি। খরচ না কমলেও জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়ে সর্বত্রই রয়েছে নানামুখী আতঙ্ক।

রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোয়ও এখন চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির মতো অপরাধ বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে রাজধানী ও নগর এলাকাগুলোয় সন্ধ্যার পর নগরবাসীকে চলাচল করতে হচ্ছে অত্যন্ত ভীতি নিয়ে। অনেক জায়গায় আসামি ধরতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হচ্ছে পুলিশও। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথে অপরাধীদের বেপরোয়া হয়ে ওঠার পাশাপাশি পুলিশের মনোবলের ঘাটতিও এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বাহিনীটির কর্মকর্তারা। আর বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সরকারের মোট ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। আর চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এ ব্যয় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। প্রতি মাসে এ বাবদ গড়ে ১ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে সব মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে ২৫ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীগুলোর পেছনে এ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

প্রথম আলো

দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ‘সংস্কার নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে শিগগির আলোচনা’। খবরে বলা হয়, সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে চলতি মাসের প্রথমার্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা শুরু করবে ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’। এর আগে কমিশন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর বিষয়ে দলগুলোর কাছ থেকে মতামত নেবে। দলগুলোও আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঐকমত্য কমিশন বলছে, গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে তৈরি নির্দিষ্ট ছক দলগুলোর কাছে দু–এক দিনের মধ্যে পাঠানো হবে। দলগুলোর প্রাথমিক মতামত পাওয়ার পর শুরু হবে আলোচনা।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার কথা সেদিন জানানো হয়েছিল—দলগুলোর সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করে একটি সনদ (জুলাই সনদ) তৈরি করা হবে। এই জুলাই সনদের ভিত্তিতে হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সূত্র জানায়, ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঐকমত্য কমিশন। এর অংশ হিসেবে কমিশন সংস্কার প্রস্তাবের মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে একটি ছক তৈরি করছে। সেখানে প্রতিটি সুপারিশের বিষয়ে দলগুলোর কাছে সুনির্দিষ্ট মতামত চাওয়া হবে। কোনো সুপারিশের বিষয়ে একমত কি না এবং সেটি কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন (নির্বাচনের আগে বা পরে) বলে মনে করে—এসব বিষয়ে দলগুলোর কাছে মতামত চাওয়া হবে। দলগুলোর মতামত পর্যালোচনা করে আলোচনা শুরু হবে।

যুগান্তর

‘আকাশপথে নৈরাজ্য’-এটি দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, আকাশপথের টিকিট নিয়ে চলছে অরাজকতা। প্রতিদিন বাড়ছে টিকিটের দাম। ঢাকা থেকে সৌদি আরব রুটে আগে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায় টিকিট পাওয়া গেছে। এখন সেখানে ১ লাখ ৭০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকার নিচে টিকিট নেই। দাম বাড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওমরা যাত্রীরা। ঢাকা থেকে বিশ্বের প্রায় সব গন্তব্যে টিকিটের একই অবস্থা। ডলার সংকটের কারণে নিজ দেশে টাকা নিতে না পেরে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে ৪৫টি ফ্লাইট কমিয়েছে। এতে আসন সংখ্যা কমেছে। যাত্রীর চাপ থাকায় ভাড়া বাড়ছে হুহু করে। এছাড়া বিমানবন্দরে এয়ার ক্রাফটের ল্যান্ডিং, পার্কিং ও নিরাপত্তা এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে উচ্চ চার্জের প্রভাব পড়ছে টিকিটের ওপর।

এভিয়েশন খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ করে টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে কারসাজি আছে। উচ্চ ভ্রমণ কর, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জ, ল্যান্ডিং ও পার্কিং চার্জসহ ডলার সংকটকে দায়ী করেছেন তারা। এর সঙ্গে যোগ করেন গ্রুপ টিকিট বিক্রি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্র। পরিকল্পিতভাবে এটা জারি করে আকাশ পথে ভাড়া নিয়ে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, এখন থেকে কোনো বিমান সংস্থা তিন দিন বা ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো টিকিটের বুকিং রাখতে পারবে না।

বুকিং দেওয়া টিকিট তিন দিনের মধ্যে যাত্রীর নামে ইস্যু করতে হবে। টিকিট বুকিংয়ে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর ও পাসপোর্টের ফটোকপিসহ বুকিং সম্পন্ন করতে হবে। তিন দিনের মধ্যে টিকিট ইস্যু না হলে এয়ারলাইনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই টিকিট বাতিলের ব্যবস্থা করতে হবে। আকাশপথে ভ্রমণে টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে এই নির্দেশনা জারি করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

কালের কণ্ঠ

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম ‘ত্রাণের লোভে বাংলাদেশিরাও রোহিঙ্গা!’। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রিত ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিক’ বা রোহিঙ্গারা যাতে এ দেশের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিশে না যায়, এ দেশের নাগরিকত্ব, জাতীয় পরিচয়পত্র লাভ করতে না পারে, তার জন্য নানা প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার পরও অভিযোগ রয়েছে, অনেক রোহিঙ্গা স্থানীয় অসাধু জনপ্রতিনিধির সহায়তায় এবং অর্থের বিনিময়ে চোরাপথে বাংলাদেশি পরিচয় পেতে তৎপর। বাংলাদেশি পরিচয়টিই তাদের কাছে লোভনীয়। কিন্তু বিস্ময়করভাবে এর বিপরীত ঘটনাও ঘটেছে।

কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের কাছে নিজ দেশের নাগরিকত্বের চেয়ে ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার বিষয়টিই প্রাধান্য পেয়েছে। ত্রাণের লোভে তারা রোহিঙ্গাদের নাম তালিকাভুক্তির লাইনে দাঁড়িয়ে ছবিসহ আঙুলের ছাপ দিয়ে রোহিঙ্গা সেজে বসেছে। এই অবস্থায় নিজ দেশের যাবতীয় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। রোহিঙ্গা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে পুলিশে সোপর্দ হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

বর্তমানে তাদের উপলব্ধি তারা ভুল করেছে। ভুল সংশোধনের জন্য তাদের অনেকেই এখন জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিসে ধরনা দিচ্ছে।

সমকাল

‘বারবার প্রতিশ্রুতি, সীমান্তে বন্ধ হচ্ছে না গুলি’-এটি দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ কিংবা হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার মতো প্রতিশ্রুতি ভারতের তরফ থেকে এসেছে বহুবার। ওই প্রতিশ্রুতি পর্যন্তই; বন্ধ হচ্ছে না গুলি, থামছে না সীমান্ত হত্যা। অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় অনেকের ঘরে নেমে আসে তিমির, থামে না রোদন। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড যেন প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে কাঁটা হয়ে বিঁধে আছে।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকা সেই ফেলানীর ছবি এখনও গেঁথে আছে অনেকের হৃদয়পটে। সেই ঘটনা দেশ-বিদেশে তৈরি করেছিল চাঞ্চল্য। তবু ফেলানী হত্যার সঙ্গে জড়িত বিএসএফ সদস্যদের বেকসুর খালাস দেন আদালত। এরপর মামলা ভারতের সুপ্রিম কোর্টে গড়ালে বিচার হয়নি আজও।

দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন এ ধরনের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগও জানিয়ে আসছে। আর সীমান্তে যারা জীবন দিচ্ছেন, তাদের পরিবারের সদস্যরাও বলছেন, কেউ নিয়ম ভাঙলে প্রচলিত আইন প্রয়োগ করা হোক।

গুলি করে প্রাণহানির মতো ঘটনা এড়ানোর দাবি তাদের। নানা সময় বাংলাদেশ-ভারতের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, বিজিবি-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ের সম্মেলনে উভয় দেশ প্রাণঘাতীর অস্ত্রের ব্যবহার না করার ব্যাপারে একমত হলেও সীমান্তে সেটির কার্যকারিতা দেখা যায় না।

সীমান্তে যে গুলি বন্ধ হয়নি, এর সত্যতা মিলেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণেই। গেল ২০২৪ সালেই সীমান্তে প্রাণ গেছে ৩০ জনের। এর মধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতেই মারা যান ২৫ জন। আর নির্যাতনে প্রাণ নিভেছে চারজনের। এ বছরের জানুয়ারিতে মারা গেছেন দু’জন। সর্বশেষ গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আল-আমীন নিহত হন।

ইত্তেফাক

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর ‘সাত কলেজ পরিচালনা করবে ইউজিসির নেতৃত্বে নজরদারি সংস্থা’। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত কলেজ পরিচালনায় একটি স্বতন্ত্র কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, নাম দেওয়া হয়েছে ‘নজরদারি সংস্থা’। এর দায়িত্বে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একজন সদস্য। সাত কলেজের একজন অধ্যক্ষ সংস্থাটির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন। অন্তর্বর্তী প্রশাসন হিসেবে এই কাঠামোতে চলবে সাত কলেজ।

এই লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের সব ধরনের কার্যক্রম সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে দ্রুত ঢাবির সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়টি চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ঢাবি উপাচার্য বরাবর পাঠানো হয়েছে। সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার আগ পর্যন্ত এ কাঠামো অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ হলো—ঢাকা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নজরদারি সংস্থায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাবির রেজিস্ট্রার দপ্তর মনোনীত কর্মকর্তা, পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর মনোনীত কর্মকর্তা, অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট শাখার মনোনীত প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া সাত কলেজের অনলাইন ভর্তি কমিটির মাধ্যমে আবেদন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এসব কলেজের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে এই কাঠামো বলে জানিয়েছে সরকার।

নয়া দিগন্ত

‘হাসিনার সাজানো মামলায় প্রাণভিক্ষা নয়, মিথ্যা দায় থেকে অব্যাহতি দিতে বলেছিলেন মীর কাসেম আলী’-এটি দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাজানো যুদ্ধাপরাধ মামলার ফাঁসির রায় কার্যকরের আগে রাষ্ট্রপতির কাছে মার্সি পিটিশনে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে প্রাণভিক্ষা চাইতে অস্বীকার করে মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে বলেছিলেন মীর কাসেম আলী। বিশিষ্ট উদ্যোক্তা সংগঠক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেমকে ফাঁসি কার্যকর করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই তার সেই আবেদন তখনকার রাষ্ট্রপতি কোনো বিবেচনায় না নিয়েই নাকচ করে দিয়েছিলেন। এর পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ তার ফাঁসি কার্যকর করতে ওই দিন সন্ধ্যার পর থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করে।

এদিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর কনডেম সেলে থাকার সময় মীর কাসেম আলী বারবার কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে বলেছিলেন, তিনি শেখ হাসিনা সরকারের জুলুমের শিকার হয়েছেন। তিনি যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিযোগের সাথে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। তাকে সাজানো মামলা দিয়ে ফাঁসি দেয়া হচ্ছে। কারণ ওই সময় (স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়) তার বয়স কম ছিল।

কারা কর্মকর্তারা জানান, বন্দী অবস্থায় ওই কারাগারে একদিন কারাবন্দীদের নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা (বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী)। তিনি তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া যুদ্ধাপরাধ মামলার প্রসঙ্গও তুলেছিলেন। তার ফাঁসির রায় দেয়া প্রসঙ্গে একটি মন্তব্যে তিনি বলেছিলেন, মামলার মেরিট এবং তার সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনায় দেখা যায়, ওই সময় মীর কাসেম আলীর বয়স কম ছিল। কেন যে তাকে এই মামলায় জড়ানো হলো তা বলে তিনি আক্ষেপ করেছিলেন বলে কারাগার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আজকের পত্রিকা

‘তৃণমূলে দল গোছানোয় নজর এনসিপির’-এটি দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। প্রতিবেদনে বলা হয়, আত্মপ্রকাশের পর এবার দল গোছাতে মন দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের এই দলের লক্ষ্য নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, যেটি ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা ছাড়া সম্ভব নয়। এই কারণে কেন্দ্রের পর এবার তৃণমূলে কমিটি গঠনের দিকে নজর দিয়েছে দলটি।

এনসিপির নেতারা জানিয়েছেন, রমজান মাসজুড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিগুলো থেকে নেতা- কর্মীদের সমন্বয়ে দলের জেলা, উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়ের কমিটিগুলো গঠন করা হবে। ইতিমধ্যে ২১৭ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিভিন্ন জেলায় দলকে সংগঠিত করতে মুখ্য ভূমিকা রাখবেন। চলতি মাসে ‘ইফতার’ ও স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে দলের কার্যক্রম। তবে এপ্রিলে বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে রাজপথের আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একটু তাড়াহুড়ো করে দল তৈরি করতে হলো। অনেক কিছুই এখনো বাকি। এই মাসে আমরা সারা দেশে সংগঠন গোছানোর কাজ করব।’

দেশ রূপান্তর

দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর ‘তৃণমূলের ভোটে নজর এনসিপির’। প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নিয়ে সদ্য আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) লক্ষ্য তৃণমূলের ভোটব্যাংক। ইতিমধ্যে দেশের ‘আরবান মিডল ক্লাসে’র (শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণির) কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন বলে দাবি দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের। তারা বলছেন, শহুরে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ সেটার বিচার করেই এনসিপিকে সমর্থন দেবে। তাই তাদের দলে ভেড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে।

বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী প্রচারণা এবং প্রতিপক্ষ দলগুলোর ‘নেতিবাচক’ কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরা হবে। এ ক্ষেত্রে জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টিও প্রাধান্য পাবে। এনসিপি নেতাদের চাওয়া, প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ যেন দলটির প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে।

বিভিন্ন মতাদর্শের সমন্বয়ে ২১৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে এনসিপি। আত্মপ্রকাশের পরদিন গত শনিবার গভীর রাতে বছরমেয়াদি কেন্দ্রীয় এ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। যাতে বাম ও ডানপন্থি সাবেক ছাত্রনেতারা যেমন স্থান পেয়েছেন, তেমনি রয়েছেন ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী থেকে উঠে আসারাও। কমিটিতে পদ পেয়েছেন দলিত-হরিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও।

ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম ‘Job losses shock development workers’ অর্থাৎ ‘চাকরি হারানোর ঘটনায় হতবাক উন্নয়ন কর্মীরা’

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ত্রাণ সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা ইউএসএআইডি’র বাজেট কর্তনের কারণে কতজন চাকরি হারিয়েছেন বা হারাতে পারেন, সে সম্পর্কে কোনও সরকারি তথ্য নেই। তবে এই সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ হাজারের মধ্যে হতে পারে বলে অনুমান করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইউএসএআইডি স্বাস্থ্য, পুষ্টি, কৃষি, জীবিকা, শ্রম অধিকার, মানব পাচার প্রতিরোধ ও নানা ধরনের গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য প্রতি বছর বাংলাদেশকে ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।

তবে গত ২০শে জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণ করার পর তিনি ইউএসএআইডি’র অর্থায়ন ও বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram