

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়ায় উপজেলায় এক সাধু ফকিরের আস্তানায় গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকেও সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন ওই নারী।
মামলার প্রধান আসামি পুঠিয়া উপজেলার চক ধাঁধাস গ্রামের বাসিন্দা হামিদ ফকির (৬৭)। অপর আসামি ভুক্তভোগী নারীর স্বামী। স্থানীয়দের দাবি, হামিদ ফকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি আস্তানা পরিচালনা করে আসছেন। সেখানে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করেন। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীও ওই ফকিরের অনুসারী ছিলেন বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বাজারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ফকিরের আস্তানায় নিয়ে যান তার স্বামী। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নারীর হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরো ঘটনায় স্বামী সরাসরি সহযোগিতা করেন।
ঘটনার পর বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সুযোগ বুঝে স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান ওই নারী। এরপর তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে সোমবার বেলপুকুর থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বেলপুকুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, “ভুক্তভোগীর অভিযোগ গ্রহণ করে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।”
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের একাংশ অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

