

‘মারকা-ই-হক’ বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে সমগ্র জাতিকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটি জানায়, সে সময় আদিয়ালা কারাগার থেকে তাদের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের বার্তা ছিল স্পষ্ট— ‘সেনাবাহিনী আমার, দেশও আমার’।
পিটিআই দাবি করে, এক বছর আগে চার দিনের সংঘাতে ভারতের আগ্রাসনের জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ‘দৃঢ় ও নির্ণায়ক প্রতিক্রিয়া’ দেখিয়ে কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল বলে দলটি দাবি করে।
দলের মিডিয়া সেক্রেটারিয়েট থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশের সব প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) সাহসী সদস্যদের অভিনন্দন জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা সেই নির্ভীক যোদ্ধাদের স্যালুট জানাই, যাদের অসাধারণ পেশাদারিত্বের ফলে শত্রুপক্ষের ছয়টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। এর মাধ্যমে মোদির অহংকার ভেঙে যায় এবং দক্ষতার এমন এক ঐতিহাসিক নজির স্থাপিত হয়, যা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘আমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও পিএএফের সেই শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাই, যারা মাতৃভূমি রক্ষায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।’
বিবৃতিতে পিটিআই দাবি করে, কারাবন্দি অবস্থাতেও দলের প্রতিষ্ঠাতার দূরদর্শী নেতৃত্ব জাতীয় প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এতে বলা হয়, ‘তিনিই সেই নেতা, যিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মোদির উগ্রবাদী মনোভাবকে তুলে ধরেছিলেন এবং তার শাসনামলে চীন থেকে অত্যাধুনিক জে-১০সি যুদ্ধবিমান সংগ্রহ নিশ্চিত করেছিলেন। আজ এই যুদ্ধবিমানগুলো আমাদের আকাশসীমা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। ‘

