

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাহাড়-হ্রদ পরিবেষ্টিত রাঙামাটি পার্বত্য জেলার রাজনীতি, সমাজসেবা ও সার্বিক উন্নয়নে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম মো. হাবীব আজম। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট গঠিত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন এবং ১০ নভেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে এই তরুণ সদস্য কেবল একজন জনপ্রতিনিধিই নন, বরং সংকটে-সংগ্রামে সাধারণ মানুষের পরম নির্ভরতার প্রতীক। ছাত্রজীবন ও একেবারে তরুণ বয়স থেকেই মানবসেবাকে ব্রত হিসেবে নেওয়া এই ব্যক্তিত্ব করোনাকালীন দুর্যোগ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ রক্ষা, ক্রীড়া এবং পর্যটন উন্নয়নে রেখে চলেছেন অনন্য অবদান। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি-বাঙালি সকলের কাছেই তিনি আজ হয়ে উঠেছেন অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় এক নাম।
শীতার্ত মানুষের পাশে উষ্ণতার ছোঁয়া
বিগত সময়ে তীব্র শীতের প্রকোপে যখন পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জীবন বিপর্যস্ত, তখন আবারও মানবিক হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন হাবীব আজম। গত ১৮ জানুয়ারি রাঙামাটির আসামবস্তিতে অবস্থিত ‘বধির (বাক্-শ্রবণ) বিদ্যালয়’-এর শিক্ষার্থীদের মাঝে তিনি শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। তীব্র শীতে কষ্ট পাওয়া বাক্-শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের হাতে কম্বল ও প্রয়োজনীয় শীতের পোশাক তুলে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অংশটি তাঁর হৃদয়ের কতটা কাছাকাছি।
অনুষ্ঠানে সেসময়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবীব আজম বলেন, “বধির ও বাক্-শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত দায়িত্ব। এই শিশুদের অবহেলিত না ভেবে আমাদের যথাযথ সুযোগ ও সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।”
কেবল দিনের আলোতেই নয়, গত ৭ জানুয়ারি গভীর রাতেও তীব্র শীতের মধ্যে রাঙামাটির রাস্তায় পাশে থাকা অসহায়, ছিন্নমূল মানুষের মাঝে নিজে উপস্থিত হয়ে কম্বল বিতরণ করেন তিনি।
পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির এক অনন্য কারিগর
হাবীব আজমের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনা। আমজনতা দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ও রাঙামাটি জেলা সভাপতি সুশীল জীবন চাকমা তাঁর এই গুণের প্রশংসা করে বলেন, “হাবীব আজম শুধু বাঙালি নয়, প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় গিয়েও পাহাড়ির জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল ও ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি পাহাড়ি-বাঙালি সকলকেই সমান চোখে দেখেন এবং পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রক্ষায় যথেষ্ট অবদান রেখে যাচ্ছেন।”
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিঃস্বার্থ মানবসেবা ও দুর্যোগে পাশে থাকা
সিএইচটি ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও রাঙামাটি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির জানান, হাবীব আজমের এই মানবিক রূপ জেলা পরিষদের সদস্য হওয়ার পর নতুন করে তৈরি হয়নি। তিনি বিগত এক যুগ ধরে মানবসেবায় নিয়োজিত। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে রাঙামাটি সদর ও ১০টি উপজেলায় যেভাবে তিনি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছেছেন, তা আজও স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
যেকোনো দুর্যোগ কিংবা অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দ্রুত ছুটে যাওয়া তাঁর অন্যতম বড় গুণ। রাঙামাটি পাবলিক হেলথ্ এর বাসিন্দা সোলাইমান রানা সেদিনের এক ঘটনার কথা স্মরণ করে বলেন, “গত ১৪ মে আমাদের এলাকায় আগুন লাগলে আমরা হাবীব আজমকে জানাই। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে তাৎক্ষণিক খাবারের ব্যবস্থা করেন।”
শিক্ষার আলো ছড়াতে অনন্য উদ্যোগ: সুমনা আকতারের গল্প
টাকার অভাবে কোনো মেধাবীর শিক্ষা জীবন থমকে যাবে—এটি মেনে নিতে পারেন না হাবীব আজম। গত ৫ আগস্ট ২০২৫ সালের একটি ঘটনা স্থানীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। রাঙামাটির এক মেধাবী শিক্ষার্থী সুমনা আকতার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও চরম আর্থিক সংকটের কারণে ভর্তি হতে পারছিলেন না। তাঁর মা যখন নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছিলেন, বিষয়টি হাবীব আজমের নজরে আসে। সে সময় তাৎক্ষণিকভাবে নিজের পকেটে টাকা না থাকা সত্ত্বেও তিনি বাসা থেকে টাকা এনে সুমনার ভর্তির সমস্ত খরচ পরিশোধ করেন এবং ভবিষ্যতে তাঁর পড়াশোনার সমস্ত দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন।
সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী রাঙামাটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, “এই রকম মানবিক মানুষ বর্তমান সমাজে খুবই কম দেখা যায়।” এছাড়া কোনো শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে না পারলে সহযোগিতা করা, বই বা শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া তাঁর নিয়মিত কাজের অংশ।
মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় ত্রাতা
কেবল শিক্ষা নয়, চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের পাশেও সবসময় অর্থ ও মন নিয়ে দাঁড়ান এই জনপ্রতিনিধি। রাঙামাটি পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ষাটোর্ধ বৃদ্ধা রোকেয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ জোগাতে যখন তাঁর পরিবার হিমশিম খাচ্ছিল, তখন হাবীব আজম তাঁকে নিজের অফিসে ডেকে চিকিৎসার জন্য নগদ দশ হাজার টাকা তুলে দেন।
নগদ সহায়তা পেয়ে অশ্রুসজল চোখে রোকেয়া বেগম বলেন, “আমার অসুস্থতার কথা শুনে হাবীব আজম প্রায় সময়ই আমাকে ওষুধ কিনে দেয়, টাকাও দেয়। আল্লাহ ওনার মঙ্গল করুক।” স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ফয়সাল আহমেদ জানান, এই ধরনের অসংখ্য ঘটনা রয়েছে যা লোকচক্ষুর অন্তরালে হাবীব আজম প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন।
দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধকরণ ও 'পার্বত্য জ্ঞান অন্বেষণ পাঠাগার' প্রতিষ্ঠা
কোমলমতি পাহাড়ি-বাঙালি শিশু ও শিক্ষার্থীদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে এক অনন্য উদ্যোগ বছরের পর বছর ধরে বজায় রেখেছেন মো. হাবীব আজম। প্রতি বছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে রাঙামাটি চিংহ্লামং মারী স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী দেখতে আসা হাজারো শিশুর মাঝে তিনি জাতীয় পতাকা, ‘স্বাধীনতা দিবস’ লেখা মাথার ফিতা এবং বেলুন বিতরণ করে আসছেন। বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে তাঁর নিজস্ব অর্থায়নে ও তদারকিতে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি পরিচালিত হচ্ছে। হাবীব আজমের এই দেশপ্রেমী উদ্যোগের প্রশংসা করে রাঙামাটির শিক্ষার্থী আরিয়ান রিয়াজ বলেন, “স্টেডিয়ামে আসা শিশুদের মাঝে দেশপ্রেমের বীজ বুনে দিতে হাবীব আজমের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
একই সাথে, পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সঠিক তথ্য জানাতে তিনি সম্পূর্ণ নিজের অর্থায়নে রাঙামাটির জনবহুল এলাকা বনরূপায় প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘পার্বত্য জ্ঞান অন্বেষণ পাঠাগার’। এই পাঠাগার সম্পর্কে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) শিক্ষার্থী রাসেল মাহমুদ বলেন, “এই সময়ে নিজ থেকে নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে কেউ অলাভজনক কোনো প্রতিষ্ঠান করে না, সেখানে হাবীব আজম নিজের টাকা খরচ করে তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য যে পাঠাগার করেছেন তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। বর্তমান যুগে এমন মহানুভব মানুষ পাওয়া কঠিন। এই হাবীব আজম যুগ যুগ ধরে তরুণদের মাঝে এক অনুপ্রেরণার নাম হয়ে থাকবে।”
তারুণ্যের উন্নয়ন: সবুজায়ন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ স্মৃতি স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল গাজীর মতে, হাবীব আজমের কর্মকাণ্ড কেবল ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি রাঙামাটির পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের নিয়ে ব্যাপক ‘বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি’ পরিচালনা করছেন এবং পুরো অঞ্চলকে সবুজায়নের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
অন্যদিকে, যুবসমাজকে মাদক ও কিশোর গ্যাং-এর মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করছেন তিনি। গ্রীন হিলস স্পোর্টিং ক্লাবের আহবায়ক সাকিবুল হাসান সায়েম জানান, তরুণদের উৎসাহিত করতে হাবীব আজম রাঙামাটির বিভিন্ন ক্লাবকে ব্যাপকভাবে জার্সি ও ক্রীড়া সামগ্রী উপহার দিয়েছেন। ফুটবল-ক্রিকেটসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে সশরীরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি কিশোর ও তরুণদের খেলার মাঠে থাকার প্রেরণা জোগান।
জন্ম ও পরিচিতি: ছাত্ররাজনীতি থেকে আজকের নেতৃত্ব
হাবীব আজমের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে স্থানীয় সংবাদকর্মী আরিফুল ইসলাম বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। মো. হাবীব আজম ১৯৯১ সালের ১ ডিসেম্বর রাঙামাটি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাঁঠালতলী মসজিদ কলোনি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মো. চাঁন মিয়া ও ফাতেমা বেগম দম্পতির সন্তান। শিক্ষাজীবনে মো. হাবীব আজম ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিকভাবে তিনি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যমুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)-এর রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং পরিবার পরিকল্পনা সমিতি অব বাংলাদেশ (এফপিএবি - FPAB)-এর আজীবন সদস্য। তিনি রাঙামাটি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্য এবং ট্যুর গাইডদের সংগঠন ‘ (হিল ট্রেকার্স) ও ‘হিলফুল যুব সংগঠন’-এর উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিষদ সদস্য হিসেবে পর্যটন ও উন্নয়নে নতুন দিগন্ত
জেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পর হাবীব আজমকে পর্যটন করপোরেশন ও নার্সিং ইনস্টিটিউট সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পেয়েই তিনি রাঙামাটির পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়নে ব্যাপক ও দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
আন্তর্জাতিক মানের ওয়াচ টাওয়ার: রাঙামাটি শহরের টিভি সেন্টারের বিপরীতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের মেগা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি।
পর্যটক সুবিধা বৃদ্ধি: ফিশারিঘাট এলাকায় আধুনিক যাত্রীছাউনি ও ওয়াশরুম নির্মাণ এবং পর্যটন করপোরেশন এলাকায় ঝুলন্ত ব্রিজের অপর পাশে ওয়াকওয়ে, সিঁড়ি ও ওয়াশরুম নির্মাণ করেছেন।
ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ: পর্যটন খাতের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি প্রথমবারের মতো রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে ‘ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচি চালু করেন। পাশাপাশি সাজেকসহ পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটকদের সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছেন।
রাঙামাটি বধির (বাক্-শ্রবণ) বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. নাছির উদ্দিনের ভাষায়: “মো. হাবীব আজম অল্প বয়সে তাঁর মানবিক কাজ এবং অত্যন্ত সহজ-সরল চলাফেরার মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে অনন্য গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।”
বিলাসিতা বা অহংকার যাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি, সেই হাবীব আজম আজ রাঙামাটির আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। কম্বল বিতরণ, দুর্যোগে ত্রাণ, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থদের চিকিৎসা, জ্ঞানচর্চার জন্য পাঠাগার স্থাপন কিংবা পর্যটন ও সামাজিক উন্নয়ন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি প্রমাণ করেছেন, জনপ্রতিনিধিত্ব মানে ক্ষমতার অহংকার নয়, বরং মানুষের সেবা ও এলাকার উন্নয়ন করার এক পরম সুযোগ। একজন নিঃস্বার্থ, কর্মঠ ও দূরদর্শী নেতা হিসেবে হাবীব আজম সত্যিই রাঙামাটির জন্য এক আদর্শ ও যোগ্য ব্যক্তিত্ব।
