

মেছবাহ উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালী-৫ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী যাত্রা ছিল নানা প্রতিকূলতা ও অভ্যন্তরীণ সংকটে ঘেরা। মনোনয়ন প্রাপ্তির পর থেকে ভোটগ্রহণের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রার্থীকে এগোতে হয়েছে রাজনৈতিক চাপ, মতবিরোধ ও অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে। নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি নিজ রাজনৈতিক বলয়ের ভেতর থেকেও একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।
নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, নেতিবাচক প্রচারণা এবং সাংগঠনিক দুর্বলতা তৈরির চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তা ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারেনি।
নির্বাচনের দিন নোয়াখালী-৫ আসনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দিন শেষে গণরায়ে বিজয়ী হন ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
বিজয়ের প্রতিক্রিয়ায় আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম বলেন, এই সাফল্য কোনো একক ব্যক্তির নয়; এটি জনগণের আস্থা, ত্যাগী নেতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং মহান আল্লাহর অশেষ রহমতের ফল। তিনি নোয়াখালীর সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও ঐক্য রক্ষায় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে দায়িত্ব পালন করা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই বিজয়ের প্রধান ভিত্তি। তাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নির্বাচনী ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ সংকট ও প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও নোয়াখালী-৫ আসনের এই ফলাফল প্রমাণ করে- শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই রাজনীতির চূড়ান্ত নির্ধারক।

