

ফেনী-৩ আসনের দাগনভূঁইয়া পুলিশের একটি অভিযানের ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট এসআইকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দাগনভূঁইয়া পৌরসভা এলাকার পাকিস্তান বাজারের আমানউল্লাহপুর ধানসিঁড়ি ভবনে এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে সোনাগাজী-দাগনভূঁইয়া এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান জামায়াত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়রা জানায়, দাগনভূঁইয়া আতাতুর্ক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমের বাড়িতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ তল্লাশি চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানে কিছু না পাওয়ার পর ওই শিক্ষকের বাড়িতে কেন অভিযান চালিয়ে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন স্থানীয়রা।
ফেনী-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, একজন অবসরপ্রাপ্ত সম্মানিত শিক্ষকের বাসায় বিনা নোটিশে হঠাৎ অভিযান চালানো অবশ্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মাধ্যমে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপি (বহিষ্কৃত) নেতা ফটিক এবং পলাশকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ কীভাবে একজন শিক্ষকের বাসায় অভিযান চালাতে পারে? এ ঘটনায় আমরা দাগনভূঁইয়া থানার এসআই বলরাম এবং ওসি আজিমের প্রত্যাহার দাবি করছি।
ফেনীর সিনিয়র এএসপি সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। তল্লাশির পর পুলিশ প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা পায়নি। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে ক্ষমাপ্রার্থী। আপাতত নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের জন্য চাঁদপুর থেকে একজন অ্যাডিশনাল এসপি দায়িত্বে থাকবেন।

