

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে উপজেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গললবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী বাজারের হোটেল, মুদি দোকান, বেকারি দোকান এবং অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলো তদারকি করা হয়।
এসময় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে খাবার তৈরি, কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি কিংবা স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ না থাকা, খাবার খোলা অবস্থায় রাখা ও বিএসটিআইএর অনুমোদন না থাকায় মুক্তা হোটেল এন্ড দই মিস্টি ঘরকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারায় ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রধান ও কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান। একইসাথে এই প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়।
এরপর একই বাজারে আব্দুল মজিদ স্টোরে গ্যাসের সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় ২৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে আদালত।
বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়া দই ও কেক তৈরি, মেয়াদ উল্লেখ না করা, অনিবন্ধিত অবস্থায় খাদ্য উৎপাদন, বিপণন, মজুদ, সরবরাহ ও বিক্রির দায়ে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৯ এর ধারায় আব্দুল কাইয়ুম ভ্যারাইটি স্টোরকে ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার আতিকুর রহমান, কাজিপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম রন্টি, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, কনজুমার এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ কাজিপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আতিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।
