ঢাকা
logo
প্রকাশিত : December 29, 2025

বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়া অনেকের বিদ্রোহের আশঙ্কা

দরজায় কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন ঘিরে বড় দল হিসেবে বিএনপিও প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। তবে বড় দল হওয়ায় প্রার্থী নির্বাচনে বিপত্তিও কম নয়। একজনকে দলীয় প্রার্থী করা হলেও যোগ্য বিবেচনায় আরো অনেকেই দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় নাখোশ।

এই সংখ্যাও নেহাত কম নয়। মনোনয়ন না পাওয়া এ রকম বহু প্রার্থী এখন বিক্ষোভ-প্রতিবাদে এলাকা গরম করে রেখেছেন। তাঁদের কারো কারো আবার শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিবেচনা না করলে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারও জোর আলোচনা রয়েছে। সারা দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাঁদের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিএনপির একাধিক নেতা বলেছেন, যাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাঁরা দলের শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারেন না। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হবে, যা দলের হাইকমান্ড ইতিবাচকভাবে দেখবে না।

সূত্র বলছে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে প্রত্যাশিত প্রার্থীদের মনোনয়ন না দেওয়ায় সমর্থকদের রেলপথ অবরোধ, মহাসড়কে আগুন জালিয়ে বিক্ষোভের মতো ঘটনাও ঘটেছে। তবে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, মনোনয়ন ঘোষিত আসনগুলোতে জনপ্রিয়তা যাচাই করেই প্রাথমিক প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে কয়েক দফা গোপন জরিপ করে, অন্তত ৯০ শতাংশ আসনে জনপ্রিয়তা যাচাই করে প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় দেশে সঠিকভাবে নির্বাচন না হওয়ায় বিএনপিতে প্রার্থীজট তৈরি হয়েছে। এমনও দেখা যাচ্ছে, একটি আসনে চার-পাঁচজন যোগ্য ও ত্যাগী নেতা আছেন। কিন্তু প্রার্থী হতে পারবেন একজন। সে ক্ষেত্রে সবকিছু চিন্তা করেই বিএনপির হাইকমান্ড প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি।

যেসব আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার শঙ্কা : এই তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচন করার জন্য এলাকায় জোরেশোরে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এই আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ধানের শীষের কোনো প্রতীক থাকবে না। কারণ বিএনপির পক্ষ থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। তিনি তাঁর দলের খেজুরগাছ মার্কায় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজ করছি। এটা দল কিভাবে নিচ্ছে, তা আমাকে এখনো জানায়নি। কারণ দলের নির্দেশনায় গত ১০ বছর এলাকায় কাজ করেছি। মানুষ যা বলবেন, আমি সেভাবেই চলব। আমার এলাকার মানুষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমি প্রার্থী হওয়ার আগে আমার এলাকার কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তাঁরা বলেছেন যে আমি না থাকলে তাঁরা অভিভাবকহারা হয়ে যাবেন। তো, তাঁদেরকে তো ফেলে দিতে পারি না।’

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে গত শনিবার কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ করা হয়েছে। এই আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন ড. রেদোয়ান আহমেদ। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। অন্যদিকে চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল শাওন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী হতে পারেন।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়েও বিক্ষোভ হয়েছে জেলা বিএনপির সদস্য আক্তারুজ্জামান বাচ্চুকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিবাদে। ময়মনসিংহ-১০ আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে এই আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ বি সিদ্দিকুর রহমান মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তাঁর সমর্থকরা গত শনিবার গফরগাঁও রেলস্টেশনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মুরশেদ আলম। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। তবে এই আসনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে প্রথমবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া না হলে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন। তিনি মনোনয়নপত্রও কিনেছেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি করেছি। এই আসনে আমরা বিএনপির তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলাম। তবে দল কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। যাঁকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তিনি বিএনপির কেউ না। দলের নেতাকর্মীদের দাবিতে আমি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছি।’

নোয়াখালী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান। এই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে সংসদের বিরোধীদলীয় সাবেক চিফ হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুককে। নোয়াখালী-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামিম। তবে এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল আজিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ইউপি চেয়ারম্যান পদ ছেড়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লেয়াকত আলী। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। সেখানে সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশের স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার আলোচনা আছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য মুশকিকুর রহমান বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে জেলা বিএনপির সদস্য কবির আহমেদ ভূঁইয়ার পক্ষে এরই মধ্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ মান্নান। তাঁর সঙ্গে জেলা বিএনপির নেতা কাজী নাজমুল হোসেন তাপসও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে এম এ হান্নান মনোনয়ন পেয়েছেন। এই আসন থেকে বিএনপির আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. কামরুজ্জামান মামুনের নির্বাচন করার বিষয়ে আলোচনা আছে। তিনি এরই মধ্যে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য রবিউল আওয়াল। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. ইকবাল হোসেন খান। ময়মনসিংহ-৮ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জনিয়ার লুত্ফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। তবে ওই আসনে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা এবং ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শাহ নুরুল কবীর শাহিন স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

জামালপুর-৩ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহসম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এই আসনে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ফায়েজুল ইসলাম (লাঞ্জু) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

মেহেরপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন। এই আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন। নড়াইল-২ আসনে এনপিপি নেতা ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই আসনে আগে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে। তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। এই আসনে তিনবারের এমপি আতাউর রহমান খান স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান। তাঁর বিপরীতে সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এই আসনে আপাতত বিদ্রোহী প্রার্থী একজন হলেও সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ। কিন্তু মনোনয়নপত্র কিনেছেন তিনবারের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। এঁদের মধ্যে অন্তত একজন স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন।

পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন সাবেক এমপি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির ছয় নেতা দলীয় সমর্থনের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘দল থেকে জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা বিবেচনা করেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এখন যাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন, তাঁদের মানুষ দলের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে মনে করছে না। আমরা সবার কাছে অনুরোধ করব, দলের সিদ্ধান্ত যেন মেনে চলেন। তা না হলে আজীবন বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘যাঁরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন, তাঁদের সবাইকে এখন বিদ্রোহী বলা যাবে না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত বিদ্রোহী বলা যাবে না। এর আগে আমরা দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব না। এরপর যাঁরা থেকে যাবেন, তাঁরা হবেন বিদ্রোহী; তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram