

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার তিতাসে ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান ও বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
রোববার (২৩ আগস্ট) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার আসমানিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। রাত আড়াইটার দিকে বাজারে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ভোর ৩টার দিকে সিএনজি স্টেশনে আসা এক চালক আগুন দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
পরে দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এর আগেই আগুনে আবুল হোসেনের আরএফএল ফার্নিচারের দোকান, মনির হোসেনের মুদি দোকান, মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিনের মুদি দোকান এবং রুমির লেপ-তোষকের দোকান মালামালসহ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
দাউদকান্দি উপজেলা ফায়ার স্টেশনের অফিসার এরশাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকানের প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিতাস উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া আক্তার লুবনা। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান খোকা, তিতাস উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী, নারান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
