

মতিয়ার রহমান মধু, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি কমাবে জীবনহানি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে এবং পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ, বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ আয়োজনে বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রোড শোর মাধ্যমে ঈদ ও বিভিন্ন ছুটিকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো ও ঘরে ফেরা যাত্রী, মোটরসাইকেল আরোহী, যানবাহনের চালক, পরিবহন শ্রমিক এবং সাধারণ পথচারীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নিরাপদ গতিতে যানবাহন চালানো, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, অতিরিক্ত যাত্রী ও অতিরিক্ত গতি পরিহার, বৈধ কাগজপত্র সংরক্ষণ এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরেন।
বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. জিয়াউর রহমানের দিকনির্দেশনায় অনুষ্ঠিত এ রোড শোতে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পথচারী, মোটরসাইকেল চালক, যাত্রী এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি মাইকিংয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার এবং নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সচেতনতামূলক মাইকিং পরিচালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) উসমান সরওয়ার আলম। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; চালক, যাত্রী ও পথচারী সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। নিরাপদ গতি ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করলে অনেক প্রাণহানি ও গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা এড়ানো সম্ভব।
রোড শোতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী মো. নাসির উদ্দিনসহ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সদস্য, বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।
আয়োজকরা জানান, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে বিআরটিএ নিয়মিতভাবে এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
