

হিলি বন্দরে আমদানি বাণিজ্যে ব্যাপকভাবে ভাটা পড়েছে। আগে যেখানে বন্দরে প্রতিদিন একশ থেকে দেড়শ ট্রাক পণ্য আসতো, এখন তা নেমে এসেছে ২০ থেকে ২৫ ট্রাকে। এতে বন্দরের দৈনন্দিন আয় তো কমেছেই সাথে কয়েকশ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে সরকারের রাজস্ব আদায়েও বিরূপ প্রভাব পড়েছে। বিদায়ি অর্থবছরে হিলি বন্দরের রাজস্ব ঘটতির পরিমাণ সাড়ে ৪শ কোটি টাকা।
হিলি স্থলবন্দর উত্তরাঞ্চলের বৃহত্তম বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। আগে বন্দরের ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ড ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকে ঠাসা থাকত। পণ্য কিনতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত-শত ব্যবসায়ীরা আসতেন। কিন্তু সেই বন্দরেরই এখন বেহাল অবস্থা। নেই ব্যবসায়ীদের কোলাহল। আনাগোনা কমেছে আমদানিকারকদের। অনেকটা ফাঁকা পড়ে আছে ইয়ার্ড। বেকার হয়ে পড়েছেন বন্দরের শত-শত শ্রমিক।
হিলি স্থলবন্দরের আমাদানিকারক মতিউর রহমান লাবু বলেন, ডলারের বিনিময় মূল্য বাড়ার পাশাপাশি ভারতে পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এখন আর কাঙ্ক্ষিত লাভ মিলছে না। ফলে লোকসান এড়াতে অনেকেই আমদানি কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলেছেন। পণ্য খালাসে হয়রানির শিকার নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে হিলি কাস্টম্সের ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেন বলেন, এলসি খোলার পরিমাণ অনেক কমেছে। অধিক শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি হ্রাস পাওয়ায় বন্দরে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। কমেছে রাজস্ব আদায়ও।
উল্লেখ্য, বিদায়ি অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। কিন্তু আদায় হয়েছে ৫৯৮ কোটি টাকা।
