

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারত থেকে গরু আনতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া এক যুবকের মরদেহ আটদিন পর পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত শওকত আলী শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের মৃত. মিজানুর রহমানের ছেলে।
এলাকাবাসী ও বিজিবি জানায়, গত ৯ মে রাতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল জহুরপুর টেক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যায়। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন শওকত আলী। গতকাল শনিবার (১৬ মে) বিকেলে ৫৩ বিজিবির ফরিদপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় শওকতের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় জেলেরা। পরে সন্ধ্যায় তার পরিবারের লোকজন কাউকে কিছু না জানিয়ে মরদেহটি নিয়ে এসে দাফনের প্রস্তুতি নিলে পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সমীরুদ্দিন ও এলাকাবাসীর দাবি, বিএসএফের নির্যাতনে শওকতের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। পরে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে শওকত গরু আনতে ভারতে গিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় ও জেলেদের সহায়তায় তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এদিকে, গোদাগাড়ী নৌ পুলিশের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই জীবন চন্দ্র রায় জানান, মরদেহে গুলির চিহ্ন না থাকলেও হাতে, পায়ে ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

