ঢাকা
৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
বিকাল ৪:৫৫
logo
প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

জাবিপ্রবিতে শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে হট্টগোল

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য সৃষ্টির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রো-ভিসির পদত্যাগের দাবির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে হট্টগোল হয়েছে। রবিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় এসব ঘটনা ঘটে। এতে পরীক্ষা দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী।

রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় রক্ষায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ গেটে তালা দিয়ে গেটের সামনে অবস্থান করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

এ সময় তারা বলেন, ৫ আগষ্ট এর পরে শহীদের রক্তের উপর দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। ডিপিপির নামে কালক্ষেপন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ অপচয় হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মপরিবেশ নষ্ট হয়েছে। প্রশাসনের ছত্রছায়ার নিয়োগ বাণিজ্য অব্যাহত আছে। প্রশাসন চুক্তিভিত্তিক সকল নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তির মাধ্যমে এবং প্রক্টার সাদিকুর রহমান, প্রভোস্ট ফরাদ আলী ও মৌসুমী আক্তার, মাহবুব আলম জনসংযোগ কর্মকর্তা, সহকারী রেজিস্টার আহসান হাবিব, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। স্বজন প্রীতির মাধ্যমে ভিসির সহযোগিতায় প্রো-ভিসির লোকদেরকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। পরে আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রো-ভিসির পদত্যাগের দাবি জানান।

ব্যানারে শিক্ষার্থীদের নাম ব্যবহার করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষীপ্ত হয়ে আন্দোলনকারীদের ব্যানার খুলে ও গেটের তালা ভেঙ্গে ফেলেন। তারা বলেন, সাধারণ কোন শিক্ষার্থী এ আন্দোলনের সাথে জড়িত না। তাদের অযৌক্তিক আন্দোলনকে যৌক্তিক দেখানোর জন্য ব্যানারে তাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

পরে দুপুরে বিষয়টি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে আন্দোলনকারীসহ সকল পক্ষের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। আলোচনার এক পর্যায়ে আন্দোলনকারী শিক্ষক, সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আলোচনা চলাকালে এক শিক্ষার্থীর মন্তব্যের জেরে উত্তেজিত হয়ে পড়েন আন্দোলনকারী শিক্ষক ড. আল মামুন সরকার। একপর্যায়ে তিনি উপ-উপাচার্যের সামনেই টেবিলে জোরে থাপ্পড় দেন। তাকে শান্ত করতে এগিয়ে আসেন প্রভোস্ট ড. ফরহাদ আলী ও প্রভাষক ইমরুল কবির। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যা উপস্থিত সবার মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে।

আন্দোলনে কারণে সারাদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী।

ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়া ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী সুবর্ণা বলেন, সকালে এসে দেখি প্রশাসনিক ভবনে তালা। ক্লাস হবে কি না, তার কোনো নির্দেশনা নেই। এতে আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, প্রত্যেক শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram