ঢাকা
logo
প্রকাশিত : October 26, 2025

পরশুরামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে হোটেল-রেস্তোরাঁ

শিবব্রত চক্রবর্ত্তী, পরশুরাম (ফেনী) প্রতিনিধি: পরশুরামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে খাবার হোটেল ও নামীদামী রেস্টুরেন্ট। পরশুরাম উপজেলায় পৌরসভাসহ তিনটি ইউনিয়নের হাট বাজারে প্রায় ১৫ শতাধিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বেশিরভাগ হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে নিম্নমানের এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সব প্রকার খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়েছে।

পরশুরাম উপজেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধ শতাধিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট রয়েছে। অধিকাংশ হোটেলগুলোকে বাইরে থেকে চাকচিক্য দেখালে ও ভিতরের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন। রান্না ঘরগুলো স্যাঁতস্যাঁতে ও যত্রতত্র নোংরা পরিবেশ বিরাজ করছে। হোটেলের ভিতরে রান্নাঘরে পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই কাঁচা নলকুপের পানি দিয়ে রান্নাসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। ফলে ক্রেতারা খাবার গ্রহনের পরে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

প্রকাশ্যে দেখা যায়, হোটেলের কর্মচারী ও বাবুর্চিরা খালি গায়ে নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি করে পরিবেশন করছে। সাজিয়ে রাখা তৈরি করা খাবারের উপরে মাছি বসছে। বাতাসে ধুলা বালু উড়ে এসে খাদ্যের উপর পড়ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব হোটেলে ভাত, মাছ, মাংস, রুটি, ভাজি, ডিম, পরটাসহ হরেক রকমের খাদ্য বিক্রি করা হয়। ফ্রিজের মধ্যে মাছ, মাংস, সবজি রাখা হয় মাসের পর মাস। এসব বাসি, পচা খাবার বিক্রি হচ্ছে অহরহ। হোটেল কর্তৃপক্ষের উপর আস্থা রেখে স্বাচ্ছন্দে এসব খাবার কিনে খাচ্ছেন ক্রেতারা।

অনুমোদনহীন ওইসব হোটেলের বিরুদ্ধে অধিক দামে খাবার বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। বেশিরভাগ হোটেলে নেই খাবারের মূল্য তালিকা।

এদিকে মিষ্টির দোকান গুলোতে পাউডার দুধ এবং আটা দিয়ে মিষ্টি তৈরি করে ৪৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। ঘি বিক্রয় করা হচ্ছে ১১/১২শ টাকা। অধিকাংশ হোটেল মালিকদের কোন ধরনের লাইসেন্স কিংবা বৈধ কাগজপত্রও নেই। কয়েকটি মিষ্টি দোকানে বাহারি নামে ১৫ থেকে ২০ রকমের মিষ্টি তৈরি করে তা ৫০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মিষ্টি কেনার জন্য লোকজন এসব দোকানে আসে। এই সুযোগে ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে বাড়তি টাকা।

পরশুরাম উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মো. মনির হোসেন জানান, পরশুরাম উপজেলায় বেশিরভাগ হোটেলের ল্যাইসেন্স নেই। এক প্রশ্নের জবাবে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জানান, তিনি নিয়মিত হোটেল গুলো পরিদর্শন করেন। কিন্তু স্থানীয়রা জানান, অধিকাংশ হোটেলের পরিবেশ খুবই খারাপ। খাবারের গুনগত মানও নগন্য।

উপজেলা ভূমি কমিশনার সূত্র জানায়, উপজেলার হাট বাজারে হোটেল এবং রেস্টুরেন্টগুলো পরিদর্শন অব্যাহত আছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মূল্য তালিকা না থাকায় ইতোমধ্যে কিছু হোটেল মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। ওই সূত্র জানায়, অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram