

মাজহারুল ইসলাম বিপু, লালমনিরহাট: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮ কিঃমিঃ এর মধ্যে পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ১৫ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনসহ পূজামণ্ডপে টহল জোরদার করা হয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের ৮ কিঃমিঃ এর মধ্যে লালমনিরহাট জেলায়-৮৭টি এবং কুড়িগ্রাম জেলায়-৫৮টি সহ সর্বমোট ১৪৫টি পূজামন্ডপ রয়েছে। ঐ সকল পূজামন্ডপ সমূহে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) কর্তৃক ১৭টি বিওপির মাধ্যমে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে কঠোর নিরাপত্তা প্রদান ও নিয়মিত পরিদর্শন করে আসছে। যার ফলশ্রুতিতে পূজা মন্ডপ সমূহের সভাপতি, সেক্রেটারি ও সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলেই বিজিবি'র প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং তাদের কাছে ১৫ বিজিবি অত্যন্ত আস্থার জায়গা দখল করে নিয়েছে।
সীমান্তবর্তী পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা ও নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সোমবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি লালমনিরহাট জেলার সীমান্তবর্তী দুরাকুটি দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। উক্ত পরিদর্শনকালীন তিনি বলেন, "লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) লালমনিরহাট জেলা ও কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী ১৪৫টি পূজামন্ডপের নিরাপত্তা প্রদানে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। পূজামন্ডপ এলাকায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে বিজিবি'র টহল দল অত্যন্ত তৎপর আছে এবং প্রতীমা বিসর্জনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বিজিবি টহল দলের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
মেজর মেহেদী ইমাম বলেন, বিজিবি সবসময় জাতীয় শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে বিজিবি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি বিশেষ সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিজিবি সর্বদা সজাগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
