

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী পদ্মা নদী থেকে আবারও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, কিভাবে মারা গেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি বিজিবি ও পুলিশ।
আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চরপাকা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের সেতারাপাড়া পদ্মা নদীর ঘাট এলাকা থেকে বিজিবির উপস্থিতিতে অজ্ঞাত ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু ও শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া।
বিজিবি ও পুলিশ জানায়, সীমান্ত সংলগ্ন পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌ-পুলিশের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে। তবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ফাহাদ মাহমুদ রিংকু বলেন, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি সেটি সীমান্ত থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যান্তরে। সীমান্ত এলাকায় হওয়ায় পুলিশকে সহযোগিতা করেছে বিজিবি। পরে মরদেহটি পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়।
এদিকে, গোড়াগাড়ী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তৌহিদুর রহমান জানান, প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত ব্যক্তির হাতে রাখি পরানো রয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে যে লাশটি ভারতের নাগরিক হতে পারে। এছাড়া এখন পর্যন্ত কেউ লাশটির নাম শনাক্ত করতে পারেনি এবং বাংলাদেশি কেউ দাবিও করেনি।
অন্যদিকে, ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা নৌ-পুলিশের সহায়তায় অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মরদেহটি তিন চারদিন আগের। পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এমনকি তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি সুরতহাল রিপোর্টে। তবে তিনি কিভাবে মারা গেছেন তা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এর আগে গত ২ আগস্ট শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর থেকে শফিকুল ইসলাম ও সেলিম রেজা নামে দুই বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই সময় অভিযোগ ওঠে বিএসএফের নির্যাতনে মারা যান তারা।
