

হিলি প্রতিনিধি: গতকাল মঙ্গলবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির আইপি পাচ্ছেনা না হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা। কোন নির্দেশনা ছাড়াই গতকাল মঙ্গলবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির আইপি দেয়া বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজের আইপি দেয়া অব্যাহত রাখার দাবী জানিয়ে আজ বুধবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা। পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ৩০ টনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ারও দাবী জানান তারা। আমদানির অনুমতি না দিলে দেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের পক্ষ থেকে সংগঠনটির কার্যালয়ে এই জরুরী সংবাদ সম্মেলন করেন পেঁয়াজ আমদানিকারকরা।
সংবাদ সম্মেলনে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, গত ১৪ আগস্ট পেঁয়াজের আইপি দেয়া শুরু করে সরকার। ১৭ আগষ্ট রবিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। এতে করে দেশের বাজারে পণ্যটির সররবাহ বাড়ায় দাম কমে আসছিল। কিন্তু গতকাল ১৯শে আগষ্ট থেকে আবারো হঠাৎ করে আইপি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমদানিকাকররা আবেদন করলেও কোন আইপি ইস্যু করা হচ্ছেনা। এতে করে আমদানিকারকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পেঁয়াজের আইপি ইস্যুর পর অনেক আমদানিকারক ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে আইপি বন্ধ করে দেয়ার কারণে সীমান্তের ওপারে বেশ কয়েকজন আমদানিকারকের শতাধিক পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক আটকা পড়ে আছে। যেসব আমদানিকারক ইতোমধ্যে আইপির জন্য আবেদন করেছেন ও ভারতে পেঁয়াজ কিনে ট্রাকে লোড করে রেখেছেন তাদের জন্য পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ার দাবি জানানো হয়। আমদানি উন্মুক্ত থাকলে দেশের বাজারে দাম কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
এসময় বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান, আমদানিকারক ওহিদুর রহমান রিপনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

