

সোহানুর রহমান, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আঞ্চলিক দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় ইউপিডিএফ (প্রসিত) দলের চার সদস্য নিহত হয়েছেন—এমন খবরকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করেছে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।
শনিবার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, ‘দীঘিনালার জোড়া সিন্ধু কারবারি পাড়ায় গোলাগুলির কোনো তথ্য ইউপিডিএফের কাছে নেই। ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল এবং এর কোনো সশস্ত্র শাখা, যেমন ‘গণমুক্তি ফৌজ’ বা ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’, নেই।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘ভাইবোনছড়ায় ত্রিপুরা কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে চলমান আন্দোলন থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে দিতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইউপিডিএফকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’
এর আগে শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে দীঘিনালা উপজেলার জোড়া সিন্ধু কারবারিপাড়ায় ইউপিডিএফ (প্রসিত) ও জেএসএস (সন্তু লারমা) এর দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছিল পুলিশ। এ বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া জানান, সংঘর্ষে ইউপিডিএফের চার সদস্য নিহত হওয়ার প্রাথমিক তথ্য রয়েছে, যদিও নিহতদের নাম-পরিচয় তখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে ইউপিডিএফের দাবি, সংগঠনটির কোনো সদস্য ওই সংঘর্ষে জড়িত নয় এবং তারা কারও সঙ্গে যুদ্ধে নেই।
ইউপিডিএফের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের সদস্য নিরন চাকমা সাক্ষরিত গণমাধ্যমে প্রেরণ করা বিবৃতিতে সংগঠনটির মুখপাত্র অংগ্য মারমা সাধারণ জনগণকে এসব ‘গুজব ও অপপ্রচারে’ বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
