

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবনের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। প্রচন্ড তাপদাহে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ। গত দুই দিনে গরমজনিত বিভিন্ন অসুখ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৪৭জন, যার মধ্যে ২২জনই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত দুই দিনে গরমজনিত বিভিন্ন অসুখ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৪৭জন, যার মধ্যে ২২জনই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। ওই সময়ে পুরুষ ১১জন, মহিলা ০৯জন, শিশু ১জন ও ৫বছর বয়সের নিচে শিশু ৫জন মিলে মোট ২২জন রোগী ডায়রিয়ার চিকিৎসা নেন।
রোববার সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা যায়, ভ্যাপসা গরমের কারণে গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। তবে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভতি রোগী ও তার স্বজনদের দাবী হাসপাতাল থেকে শুধু খাওয়ার স্যালাইন এবং কলেরার স্যালাইন দেয়া ছাড়া অন্য কোন ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে হতদরিদ্র পরিবার গুলোকে চিকিৎসা নিতে ওষুধ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।
এ সময় ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা নুরিমা খাতুন, মিনা বেগম, ১৩মাস বয়সী আব্দুল্লার বাবাসহ অনেকে জানান, হাসপাতাল থেকে খাওয়ার স্যালাইন এবং কলেরার স্যালাইন ছাড়া অন্য কোন ওষুধ দেয়া হয় না। ফাতেমা বেগম জানান, দুই দিন হলো পাতলা পায়খানা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। স্যালাইন দেয়ার পরও আজ ১০বার পায়খানা হয়েছে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.আবু রায়হান বলেন, তীব্র গরমে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রয়োজনীয় স্যালাইন এবং এন্টিবায়টিক ওষুধ সাপ্লাই রয়েছে। ডায়রিয়ার প্রকারভেদে প্রবায়টিক টাইফের কিছু ওষুধ সাপ্লাই না থাকায় তা বাহির থেকে রোগীদের কিনতে হয়।
