

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং বরেণ্য আইনজীবী এডভোকেট বদিউল আলম এর আজ [১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯২৬ সালে চন্দনাইশ থানার ফতেহনগর গ্রামে সম্ভ্রান্ত শিকদার পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।
তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৬ সনে গ্রাজ্যুয়েশন লাভ করেন, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এল.এল.বি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন চট্রগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পরবর্তীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)- এর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে তিনি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি ও ১৯৮১ সনে সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু ল’টেম্পলে (আইন কলেজ) তিনি বছরাধিক কাল অবৈতনিক শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ পাঁচদশক আইন পেশায় তার অধীনে শতাধিক আইনজীবি জুনিয়র হিসাবে কাজ করেছেন যারা বর্তমানে সিনিয়র আইনজীবি হিসাবে সুপ্রীম কোর্ট এবং চট্টগ্রাম বারে সাফল্যের সাথে কর্মরত আছেন। তিনি ‘বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি’, ‘জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি’, ‘মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি’ ‘চট্টগ্রাম অর্পণা চরণ গার্লস হাই স্কুল পরিচালনা কমিটি’, পটিয়া কলেজ অর্গানাইজিং কমিটি, কদম মোবারক মুসলিম এতিম খানাসহ প্রভৃতি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থার আজীবন সদস্য ছিলেন।
এছাড়া নিজ গ্রাম ফতেহনগরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি শরীফুন্নেসা নজির উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি প্রাইমারি স্কুল, একটি মাদ্রাসা ও তৎসংলগ্ন একটি লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করেন। এ উপলক্ষে ‘এডভোকেট বদিউল আলম স্মৃতি পরিষদ’ চন্দনাইশে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।

