

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদারে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ দূত ড. মোহাম্মদ ওয়াহিদ হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আলোচনা হয়। অত্যন্ত আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে সম্প্রতি মালেতে উভয়ের মধ্যে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।
সাক্ষাৎকালে ড. মোহাম্মদ ওয়াহিদ হাসান তার ঢাকা সফরের স্মৃতিচারণ করে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী খাবার, শিক্ষা ব্যবস্থা ও আন্তরিক আতিথেয়তার উচ্চ প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মালদ্বীপের অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান অমূল্য, যা দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করেছে। তিনি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি, বিশেষ করে সংগীত, নৃত্য ও শিল্পকলার আদান-প্রদানের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশের সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, মেডিকেল ইন্টার্নশিপ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা খাতে সুযোগ এবং বিভিন্ন স্কলারশিপ কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন।
উভয় পক্ষই একমত হন যে, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও অভিন্ন মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা ভবিষ্যতে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের কাউন্সেলর (শ্রম) মো. সোহেল পারভেজ এবং পার্সোনাল অফিসার মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

