

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ-২ আসনের এমপি ডাঃ কে.এম বাবর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই আইসিইউটা ২০২০ সালে কোভিড এর সময় সমস্ত যন্ত্রপাতি সেট করা। প্রতিটি বেড রেডি, ভেন্টিলেশন, মনিটরসহ সমস্ত যন্ত্রপাতি আছে। কিন্তু এখানে যে ভেন্টিলেটরগুলো দিয়েছে তা একদম কম দামি, সস্তা যা শুরু করার আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন চালু করতে গিয়ে দেখলাম ১০টি ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট। এটা যখন করা হয়েছে তখন এটা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জেলা, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আসন। তাহলে ২০২০ সালে কেন এটি চালু হয়নি বলে প্রশ্ন রাখেন।
রোববার দুপুরে গোপালগঞ্জ-২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ ১০ জেলায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি গোপালগঞ্জবাসীকে জানাতে চাই, এই ৬ বছর এখানে যন্ত্রপাতিগুলো কেন অকেজো হয়ে পড়ে আছে? কেন আমরা চালু করতে পারিনি? আমাদের সরকারের বয়স সাড়ে ৩ মাস হয়নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সারা বাংলাদেশে ১০টি জেলায় এই আইসিইউ উদ্বোধন হয়েছে, তার মধ্যে গোপালগঞ্জ একটি। ২০২০ সালে যারা এইসব ভুয়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে, বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে আমরা তাদের বিচার চাই। গোপালগঞ্জবাসী এই ৬ বছর কেন এই সেবা থেকে বঞ্ছিত হলো। বিগত সরকার কি করেছে? এই ৬ বছর কেন চালু করেনি।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সাবেক পিডি ও গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সহকারি পরিচালক ডাঃ অসিত মল্লিকের নাম উল্লেখ করে এমপি বলেন, ডাঃ অসিত মল্লিক গোপালগঞ্জ মেডিকেলসহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি লুটপাট করে খেয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই দুইটি প্রতিষ্ঠানের লুটপাটের সাথে জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসবে। আমি এ বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলবো। দ্রুততম সময়ে ভেন্টিলেটর মেশিন এনে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউটি চালু করবো। যাতে আমার গোপালগঞ্জবাসী পুরোপুরি আইসিইউ সেবা পায়।
তবে, এ বিষয়ে ডাঃ অসিত মল্লিককে তার মুঠোফোন নম্বরে (০১৭১১-৯৭৩০৩৭) ফোন করলে তিনি তা রিসিভ করেনি।
