

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার: সরকার গঠনের পর আগামী ১৩ জুন প্রথমবারের মতো এক দিনের সফরে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরকে ঘিরে পুরো জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার।
স্থানীয়দের মধ্যে বর্তমানে এই সফরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কক্সবাজারের উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পর্যটন খাত সম্প্রসারণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, কক্সবাজার–চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, সদর হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা চালু, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েও প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন স্থানীয়রা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। এর মধ্যে রয়েছে—পিএমখালী পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন ও পথসভা, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার উদ্বোধন, জুলাই শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত, নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা পরিষদের উদ্বোধন এবং বিকেলে চকরিয়ায় বিশাল জনসভায় যোগদান। এছাড়া কক্সবাজার–টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন এবং শহরে একটি সুধী সমাবেশেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার এখন বর্ণিল সাজে সেজেছে। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালে খননকৃত পিএমখালী পাতলী খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল সার্বিক তদারকি করছেন।
কক্সবাজার সদরের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, সব মিলিয়ে কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশা—এই সফর জেলার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে।
