

পবিপ্রবি প্রতিনিধি: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। হামলার প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা জড়িতদের বিচারের দাবিতে টানা কর্মসূচি পালন করছেন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টা থেকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ সময় বক্তারা শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি কমাতে অবস্থান কর্মসূচির পর ডিন কাউন্সিলের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ১৭ মে থেকে পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী সকল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
তবে শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ক্লাস টেস্ট, নিয়মিত ক্লাসসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
জানা যায়, গত ১১ মে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশ। আন্দোলন চলাকালে স্থানীয় যুবদলের হামলায় কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা আহত হন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। তবে আন্দোলনের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি কমিয়ে আনতে ডিন কাউন্সিলের সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ মে থেকে সকল সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস, ক্লাস টেস্টসহ অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।”

