

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: আস্ত ছাগল গিলে খেয়ে ঝোপের মধ্যে পড়ে ছিল বিশাল এক অজগর। ছাগলের মালিক তার নিখোঁজ ছাগল খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান এই দৃশ্য। পরে বন সুরক্ষায় নিয়োজিত ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি) ও কমিউনিটি পেট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যদের খবর দিলে তারা গিয়ে অজরটি উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে। সাপে ছাগল গিলে খাওয়ার খবর মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত মানুষ জড়ো হন সেখানে। পরে অজগরটি সুন্দরবনে অবমুক্ত করে বনবিভাগ।
ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা ফিল্ড ফেসিলিটেটর মো. আলম হাওলাদার জানান, দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের দিনমজুর সোহরাব ফরাজীর পোষা ছাগলটি আগেরদিন সোমবার বাড়ির কাছাকাছি বনসংলগ্ন চরে ঘাস খেতে যায়। কিন্তু ওইদিন ছাগলটি আর ফিরে আসেনি। পরেরদিন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনের কাছাকাছি একটি ঝোপের মধ্যে ছাগল খেয়ে অজগরটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে ভিটিআরটি ও সিপিজি সদস্যরা গিয়ে অজরটি উদ্ধার করে বনবিভাগের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়িতে হস্তান্তর করেন।
১৮ ফুট লম্বা অজগরটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি। আর গিলে খাওয়া ছাগলটির ওজন হবে ২০ কেজির মতো। ছাগলটি খেয়ে অজগরটি নড়াচড়া করতে পারছিল না।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, ছাগল খেয়ে অজগরটি কিছুটা অসুস্থ ছিল। তবে সতর্কতার সাথে অজগরটি উদ্ধার করেন প্রশিক্ষিত পরিবেশ কর্মীরা। দুপুর ১টার দিকে সাপটি দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ির বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

