ঢাকা
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
দুপুর ১২:৪৯
logo
প্রকাশিত : আগস্ট ৬, ২০২৫

রাশিয়ার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরেনিয়াম আমদানির বিষয়ে জানেন না ট্রাম্প

রাশিয়া থেকে আমদানি করা ইউরেনিয়াম ও রাসায়নিক সারের বিষয়ে কিছুই জানেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়ার তেল আমদানির কারণে ভারতের ওপর পারস্পরিক শুল্ক ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। সর্বশেষ সমঝোতায় এই হার নির্ধারণ হয় শতকরা ২৫ ভাগ। তারপর যখন তিনি আরও শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তখন রাশিয়া থেকে তার দেশের আমদানি নিয়ে প্রশ্ন করেন ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের সাংবাদিক। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি।

এতে বলা হয়, হোয়াইট হাউসে ২০২৮ সালের লস অ্যানজেলেস অলিম্পিক নিয়ে ডাকা এক প্রেস কনফারেন্সে রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরেনিয়াম ও সার সহ অন্য জিনিস আমদানির বিষয়ে এএনআইয়ের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমি কিছুই জানি না। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

রিপোর্টে আরও বলা হয়, ইউক্রেনযুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন বছর পরও যুক্তরাষ্ট্র এখনও রাশিয়া থেকে বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে চলছে। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে রাশিয়ার প্রায় ২৪.৫১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে শুধু ২০২৪ সালে তারা আমদানি করেছে ১.২৭ বিলিয়ন ডলারের রাসায়নিক সার, ৬২৪ মিলিয়ন ডলারের ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়াম, ৮৭৮ মিলিয়ন ডলারের প্যালেডিয়াম। এই পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যখন ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়, রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি করা দেশগুলোর উপর তিনি শতভাগ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছেন কিনা, তখন তিনি সরাসরি কোনো সংখ্যা না জানিয়ে বলেন, আমি কখনও নির্দিষ্ট শতাংশ বলিনি। তবে আমরা এরকম কিছু করব। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত আসবে। আমাদের রাশিয়ার সঙ্গে একটি বৈঠক রয়েছে। দেখা যাক কী হয়।

ওদিকে, এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ভারত। রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জন্য হুমকির মুখে পড়া ভারত বলেছে, পশ্চিমা বিশ্ব নিজেরাই রাশিয়ার সাথে বাণিজ্য করে আবার ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে- যা স্পষ্ট দ্বিচারিতা। জাতিসংঘে মার্কিন সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি এ বিষয়ে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যেই সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, চীন হচ্ছে আমেরিকার প্রতিপক্ষ এবং রাশিয়া ও ইরানের সর্ববৃহৎ তেল ক্রেতা, অথচ ট্রাম্প প্রশাসন চীনকে ৯০ দিনের শুল্ক অবকাশ দিয়েছে। আর মিত্র ভারতকে শাস্তি দিতে চায়! এক্সে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভারতের উচিত নয় রাশিয়া থেকে তেল কেনা। কিন্তু চীনের মতো প্রতিপক্ষ যখন রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল আমদানির শীর্ষে, তখন তাকে অবকাশ দেয়া যায় না, আর ভারতকে নিয়ে সম্পর্ক ধ্বংস করা যায় না।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram