

রান্নাঘরের অন্যতম প্রয়োজনীয় দুটি জিনিস হলো রাইস কুকার ও প্রেশার কুকার। দুটির নামের সঙ্গে কুকার থাকলেও কাজের ধরন একেবারেই আলাদা। কেউ ঝটপট ভাত রান্নার জন্য রাইস কুকার পছন্দ করেন, আবার কেউ সব ধরনের রান্নার জন্য ভরসা রাখেন প্রেশার কুকারে। তাহলে প্রতিদিনের রান্নার জন্য কোনটি বেশি উপকারী?
রাইস কুকার: সহজে ভাত রান্নার সঙ্গী
রাইস কুকার একটি স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র। এতে চাল, পানি ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সুইচ চালু করলেই এটি নিজে থেকেই রান্নার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
ভাত রান্না হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে এটি নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যায় এবং ভাত গরম রাখার ব্যবস্থায় চলে যায়। ফলে দীর্ঘ সময় ভাত গরম ও ঝরঝরে থাকে।
ভাত, খিচুড়ি, ওটস বা হালকা রান্নার জন্য রাইস কুকার বেশ সুবিধাজনক। বিশেষ করে যারা একা থাকেন, ছোট পরিবার বা কর্মব্যস্ত জীবনে রান্নার সময় কম পান—তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী।
তবে এর ব্যবহার কিছুটা সীমিত। সব ধরনের রান্না এতে করা যায় না।
প্রেশার কুকার: সব রান্নার ভরসা
প্রেশার কুকার বাষ্পের চাপ ব্যবহার করে খাবার দ্রুত সেদ্ধ করে। এর কারণে ডাল, মাংস, সবজি, তরকারি বা শক্ত খাবার কম সময়ে রান্না করা যায়।
সাধারণ রান্নাঘরে প্রেশার কুকারের ব্যবহার অনেক বেশি। কারণ এতে শুধু ভাত নয়, নানা ধরনের রান্না করা সম্ভব।
বর্তমানে গ্যাসের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক প্রেশার কুকারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
কোনটি কার জন্য ভালো?
যারা প্রতিদিন নানা ধরনের রান্না করেন, তাদের জন্য প্রেশার কুকার বেশি কার্যকর। কারণ একটি পাত্রেই অনেক ধরনের রান্না করা যায় এবং সময়ও কম লাগে।
অন্যদিকে, যারা শুধু ভাত বা হালকা খাবার দ্রুত তৈরি করতে চান, তাদের জন্য রাইস কুকার ভালো বিকল্প।
রান্নার ধরন ও প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে কুকার বেছে নেওয়া উচিত। বড় পরিবারের নিয়মিত রান্নার জন্য প্রেশার কুকার বেশি সুবিধার, আর ব্যস্ত জীবন বা ছোট পরিবারের জন্য রাইস কুকার হতে পারে সহজ সমাধান।
