ঢাকা
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সকাল ১১:৩১
logo
প্রকাশিত : এপ্রিল ১৮, ২০২৬

সন্তান ধারণের সবচেয়ে মোক্ষম সময় কখন, জানালেন তাসনিম জারা

সন্তান নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে কয়েক মাস আগে থেকেই কিছু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। গর্ভধারণের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময় বা ফারটাইল উইন্ডো বা সন্তান ধারণের উপযুক্ত সময় চেনার অনেকগুলো পদ্ধতি আছে। একাধিক পদ্ধতি একত্রে ব্যবহার করলে গর্ভধারণের সঠিক সময় জেনে নেওয়া যায়। এই সময়ে সহবাসে দ্রুত গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে।

যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজের চিকিৎসক ও সহায় হেলথের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডা. তাসনিম জারা সম্প্রতি তার এক ভিডিওতে জানান, সন্তান নেওয়ার আগের প্রস্তুতি সম্পর্কে। এতে গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময় নির্ণয় করার পদ্ধতিগুলো ও পিরিয়ডের কতদিন পর সহবাস করলে সন্তান হয়— তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কখন এবং কীভাবে সহবাস করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা সর্বোচ্চ থাকে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. সাদা স্রাব পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গর্ভধারণের সঠিক সময় জানা

এই পদ্ধতি কাদের জন্য প্রযোজ্য?

মাসিক নিয়মিত বা অনিয়মিত যেমনি হোক, সবাই সাদাস্রাবের এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যাদের মাসিক অনিয়মিত, তাদের জন্য এটা খুব উপকারী। কারণ অন্যান্য পদ্ধতিতে তাদের গর্ভধারণের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময় বের করা একটু কঠিন।

সাদা স্রাব পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি

প্রতি মাসে মেয়েদের সাদা স্রাবের চার রকমের অবস্থা দেখা যায়।

১) প্রথম অবস্থা হচ্ছে মাসিকের ঠিক পরে যখন কোন সাদাস্রাব দেখা যায় না। মাসিকের রাস্তাটা খুব শুকনা শুকনা মনে হয়, তখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি (০.৩ শতাংশ)।

২) এর পরের অবস্থায় মাসিকের রাস্তা হাল্কা ভেজা মনে হয়, কিন্তু আপনি চোখে কোন সাদাস্রাব দেখেন না বা হাতেও ধরতে পারেন না, তখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে ১ শতাংশের একটু বেশি (১ দশমিক ৩ শতাংশ)।

প্রথম এই দুই অবস্থা সবার মধ্যে দেখা যায় না। বিশেষ করে যাদের মাসিকের সাইকেল ছোট, তাদের ক্ষেত্রে এই দুইটি অবস্থা মাসিকের সময়েই হয়ে যেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

৩) তৃতীয় অবস্থায় ঘন সাদাস্রাব যায়। সেটা আঙ্গুলের সঙ্গে আঠালো হয়ে লেগে থাকে। তখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেড়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশের কাছে চলে আসে।

৪) চতুর্থ অবস্থায় সাদাস্রাব খুব পাতলা এবং পিচ্ছিল হয়। কাচা ডিমের সাদা অংশ যেমন মসৃণ আর পিচ্ছিল হয়, কিছুটা তেমন। দেখতে স্বচ্ছ। আর সেই সাদাস্রাব দুই আঙ্গুল দিয়ে টেনে বড় করা যায়। কয়েক ইঞ্চি বড় করলেও ভাঙ্গে না। তখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি চলে আসে।

এই চতুর্থ অবস্থা শেষ হওয়ার পর আবার সাদাস্রাব ঘন আঠালো হয় বা একেবারেই আর কোন সাদাস্রাব যায় না। তবে অনেকের মাসিকের ঠিক আগে আগে আবার পাতলা সাদাস্রাব যেতে পারে, তবে সেটা গর্ভধারণের সাথে সম্পর্কিত নয়।

এই পদ্ধতি কীভাবে কাজে লাগাবেন?

যেদিন থেকে সাদাস্রাব দেখছেন, সেদিন থেক শুরু করে শেষ যেদিন পাতলা পিচ্ছিল সাদাস্রাব যাবে সেদিন সহ, তার পরের ৩ দিন—এই সময়টা বাচ্চা নেয়ার জন্য চেষ্টা করার ভালো সময়।

সাদা স্রাবে পরিবর্তন আসে কেন?

কিছু কিছু কারণে সাদা স্রাবের পরিবর্তন আসে, ফলে এই পদ্ধতি কখনো কম কার্যকরী হতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে—

সহবাস

সহবাসের সময় লুব্রিকেন্ট বা পিচ্ছিলকারী কোন কিছু ব্যবহার করা

কিছু ওষুধ

• শিশুকে বুকের দুধ পান করানো

• জন্ম-নিয়ন্ত্রণ পিল সেবন করা

• জরাযুমুখের কোনো অপারেশন

• যোনিপথের কোনো ইনফেকশন

২. শরীরের তাপমাত্রা মেপে গর্ভধারণের সঠিক সময় জানা

দ্বিতীয় পদ্ধতিটা হলো শরীরের তাপমাত্রা মেপে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময় বোঝা।

তাপমাত্রা মাপার পদ্ধতি

মাসিকের পর পর শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হওয়ার পরে অর্থাৎ যখন ডিমটা ফোটে, তখন একজন নারীর শরীরের তাপমাত্রা খানিকটা বেড়ে যায়। না মাপলে এই পরিবর্তন সাধারণত বোঝা যায় না, কারণ এটি খুবই সামান্য, ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মত। কিন্তু আপনি প্রতিদিন শরীরের তাপমাত্রা মাপতে থাকলে, কখন এটি বেড়ে গেলো সেটা আপনি ধরতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে একটা রুল মনে রাখবেন, ছয়ের পরে তিন। টানা ৬ দিন কম তাপমাত্রার পরে টানা ৩ দিন বেশি তাপমাত্রা থাকতে হবে। কত বেশি হবে? কমপক্ষে ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট। একদিন তাপমাত্রা এসে সেটা আবার চলে গেলে তা হবে না। বিভিন্ন কারণে তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। একটানা বেশি তাপমাত্রা থাকতে শুরু হওয়ার পরে তৃতীয় দিন পর্যন্ত ফারটাইল উইন্ডো থাকে। এই বেশি তাপমাত্রা যতদিনই থাক, ধরে নিতে হবে তিন দিন পরে ফারটাইল উইন্ডো শেষ।

সঠিকভাবে তাপমাত্রা মাপার নিয়ম

কখন মাপবেন? ঘুম থেকে ওঠার পরে, কোনো কিছু করার আগে, বিছানায় থাকা অবস্থাতেই তাপমাত্রা মাপতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে মাপার চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ নিয়মিত একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে। বিছানার কাছেই থার্মোমিটার রাখবেন।

কোথায় মাপতে হবে? আমরা অনেকেই বগলের নিচে তাপমাত্রা মাপি। এখানে সেটা করলে হবে না। মুখের তাপমাত্রা মাপতে হবে। থার্মোমিটার জিহ্বার নিচে রেখে মুখ বন্ধ করবেন।

কোন ধরণের থার্মোমিটার ব্যবহার করতে হবে? জ্বর মাপার সাধারণ পারদ থার্মোমিটার দিয়ে মাপলে এত সূক্ষ্ম পরিবর্তন বোঝা যায় না। ডিজিটাল থার্মোমিটার ব্যবহার করতে হবে। বিভিন্ন ফার্মেসিতে অল্প খরচেই এটি কিনতে পাওয়া যায়।

এই পদ্ধতিতে ফারটাইল উইন্ডো কখন শুরু হয় বোঝা যায় না, তবে কখন শেষ হচ্ছে সেটা বোঝা যায়।

এই পদ্ধতি কীভাবে কাজে লাগাবেন?

একটু আগে যে সাদা স্রাবের পদ্ধতি বুঝিয়েছিলাম সেটা ব্যবহার করে সাদাস্রাব যাওয়া যেদিন শুরু হয়েছে সেদিন থেকে গর্ভধারণের চেষ্টা শুরু করবেন, আর এই পদ্ধতি অনুসরণ করে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার তৃতীয় দিন পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তাহলে গর্ভধারণের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময়টুকু কাজে লাগানো হবে।

শরীরের তাপমাত্রা কখন পরিবর্তন হতে পারে?

মানসিক চাপে থাকলে বা ঘুম কম হলে শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন আসতে পারে। আবার শরীরের যেকোনো ধরনের অসুস্থতায় তাপমাত্রা বেড়ে যায়। শরীরের তাপমাত্রা মেপে ফারটাইল উইন্ডো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে প্রতিদিনের তাপমাত্রা একটি চার্টে নোট করে রাখতে হবে। হঠাৎ তাপমাত্রা বাড়লে, এই বৃদ্ধির কারণ জানা থাকলে সেটিও সাথে নোট করে রাখতে পারেন।

৩. স্ট্যান্ডার্ড ডে পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করার উপায়

এই পদ্ধতি কাদের জন্য প্রযোজ্য?

এই পদ্ধতি আপনার জন্য কার্যকরী হবে যদি আপনার মাসিকের সাইকেল—

কখনোই ২৬ দিনের চেয়ে ছোট না হয়

কখনোই ৩২ দিনের চেয়ে বড় না হয়

স্ট্যান্ডার্ড ডে পদ্ধতি

এই পদ্ধতি অনুযায়ী মাসিক শুরু হওয়ার পর ৮ নম্বর দিন থেকে ১৯ নম্বর দিন পর্যন্ত আপনার ফারটাইল উইন্ডো বা সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময়। অর্থাৎ যদি ১ তারিখে মাসিক শুরু হয়, তাহলে ৮ তারিখ থেকে ১৯ তারিখ পর্যন্ত সময়টাতে আপনার গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

মাসিকের সাইকেল কীভাবে হিসাব করবেন?

প্রথম যেদিন মাসিক হয় সেই তারিখটা ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখবেন। মাসিক কবে শেষ হল সেটা দাগানোর প্রয়োজন নেই। এর পরে আবার যেদিন মাসিক শুরু হবে, ক্যালেন্ডারে সেই তারিখটা দাগ দিবেন। এই দুইটা তারিখের মধ্যে যত দিনের পার্থক্য, সেটা আপনার মাসিকের সাইকেলের দৈর্ঘ্য।

মাসিকের সাইকেল হিসাব করার সময় সাধারণত ২টা ভুল দেখা যায়। মাসিক শেষ হওয়ার দিন থেকে অনেকে গোনা শুরু করেন। কিন্তু হিসাব করতে হবে যেদিন মাসিক শুরু হল সেই দিন থেকে। তারপর অনেকে পরের মাসিক শুরু হওয়ার দিনটাও গোনে। পরের মাসিক যেদিন শুরু হল, সেদিন থেকে নতুন সাইকেলের হিসাব করতে হবে।

ধরেন আপনার মাসিক শুরু হল ১ তারিখ, তারপর আবার মাসিক হল সেই মাসেরই ২৯ তারিখ। তাহলে ১ তারিখ থেকে সাইকেল শুরু হয়েছে, ২৮ তারিখে শেষ, ২৯ এ আবার নতুন সাইকেল শুরু। তাহলে এবার আপনার সাইকেল ছিল ২৮ দিনের।

এই পদ্ধতি কীভাবে কাজে লাগাবেন?

শুধুমাত্র এই পদ্ধতি ব্যবহার না করে সাথে অন্য পদ্ধতিও মিলিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। কারণ সবসময় যে এই ৮ নাম্বার থেকে ১৯ নাম্বার দিনের মধ্যেই ডিম্বাণু বের হবে, এমন নয়। এ জন্যই অন্য পদ্ধতিগুলোও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্ট্যান্ডার্ড ডে পদ্ধতির কার্যকারিতা বিভিন্ন কারণে কমে যেতে পারে। যেমন—

• শিশুকে বুকের দুধ পান করানো

• জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল সেবন

• গর্ভধারণের ঠিক পরে

৪. ক্যালেন্ডারে হিসাব রেখে গর্ভধারণ করার উপায়

৪ নম্বর পদ্ধতি একটু কষ্ট করে হিসেব করতে হলেও বেশ ভালো কাজ করে।

একটু আগেই আমরা দেখেছি কীভাবে মাসিকের সাইকেল হিসাব করতে হয়। এই নিয়মে অন্তত ছয় মাস ধরে মাসিকের হিসাব রাখতে হবে। এতে আপনি ৬-৭টা সাইকেলের দৈর্ঘ্য পেয়ে যাবেন। সবগুলোর দৈর্ঘ্য একই নাও হতে পারে। কোনোটার আসবে ৩৩ দিন, কোনোটার ২৬ দিন। ৬টা সাইকেলের দৈর্ঘ্য পাওয়ার পরে, এদের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা আর সবচেয়ে ছোট সাইকেল দুটো বেছে নিতে হবে।

সবচেয়ে ছোট সাইকেল থেকে ১৮ বিয়োগ করলে যেই সংখ্যাটা পাবেন, আপনার সাইকেলের সেই দিন থেকে ফারটাইল উইন্ডোর শুরু। আর সবচেয়ে লম্বা সাইকেল থেকে ১১ বিয়োগ করলে যেই সংখ্যাটা আসবে, সেই দিন আপনার ফারটাইল উইন্ডোর এর শেষ দিন।

ধরা যাক, আপনার সবচেয়ে ছোট সাইকেল হচ্ছে ২৬ দিনের। এখান থেকে ১৮ বিয়োগ করলে হল ৮। অর্থাৎ আপনার সাইকেলের অষ্টম দিন থেকে ফারটাইল উইন্ডোর শুরু। এরপর ধরা যাক আপনার সবচেয়ে লম্বা সাইকেল হচ্ছে ৩৩ দিনের। ১১ বিয়োগ করলে হয় ২২। অর্থাৎ আপনার সাইকেলের ২২ তম দিন হচ্ছে শেষ দিন।

তাহলে মাসিক শুরু হওয়ার পরে ৮ নম্বর দিন থেকে ২২ নম্বর দিন হলো আপনার ফারটাইল উইন্ডো। এর যে কোনো এক দিন আপনার ওভারি থেকে ডিম্বাণু বের হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই এই সময়টাতে সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৫. অন্যান্য পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করার উপায়

আরও অন্যান্য কিছু উপায় আছে। যেমন—

বিভিন্ন ফার্মেসিতে ওভুলেশন টেস্ট কিট পাওয়া যায় যেগুলো কিছুটা প্রেগন্যান্সি টেস্টের মত। প্রস্রাবে হরমোনের লেভেল মেপে বলে দেয় কখন ডিম্বাণু বের হয়ে আসতে পারে। সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন, তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি।

মোবাইল ফোনে কিছু অ্যাপ ডাউনলোড করে নেওয়া যায়। যেমন: Flo, Clue, Glow। মাসিকের তারিখ বসালে এগুলো ফারটাইল উইন্ডো হিসাব করে দেয়। তবে কোনো অ্যাপই ১০০ শতাংশ নির্ভরযোগ্য না। এগুলো ব্যবহার করলে আপনার সাইকেলের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে একটা ধারণা পেতে পারেন।

এছাড়াও ডিম্বাণু বের হওয়ার পরে স্তনে বা তলপেটে ব্যথা হতে পারে, পেট ফাঁপা লাগতে পারে। তবে এই লক্ষণগুলো ব্যবহার করে ফারটাইল উইন্ডো বের করা নির্ভরযোগ্য নয়।

পরিশেষে, সবার ফারটাইল উইন্ডো একই সময়ে হয় না, আবার একই মানুষের ক্ষেত্রে মাসিক নিয়মিত হলেও একেক মাসে একেক সময়ে হতে পারে। তাই নিজের শরীরের লক্ষণগুলো (যেমন: তাপমাত্রা, সাদাস্রাব) এর দিকে খেয়াল রাখলে, আপনি সময়টা আরো ভালভাবে চিনতে পারবেন।

যতগুলো পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে, এগুলোর কোনোটাই ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হয়ে আসার সঠিক সময় নিশ্চিত করতে পারে না। তবে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে, বিশেষ করে কয়েকটা পদ্ধতি সমন্বয় করলে, সন্তানধারণের সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়।

মনে রাখতে হবে, ১ দিন বা ২ দিন পর পর সহবাস করলে ১ বছরের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি দম্পতি সফল হন। অর্থাৎ ৩/৪ মাস চেষ্টা করে সফল না হলে ঘাবড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। সময় লাগতে পারে। ১ বছর নিয়মিত চেষ্টা করার পরেও সফল না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নারীর বয়স যদি ৩৫ এর বেশি হয়, তাহলে ৬ মাস চেষ্টা করার পরেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram