

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে টলিউডের বেশ কজন তারকা বিজয়ী হলেও ৪১ জনের এ তালিকায় জায়গা পায়নি কোনো তারকা। এ নিয়ে নানা চর্চা টলিপাড়ায় চলছে।
বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন—ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী-প্রযোজক ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী, বিজেপি বিধায়ক, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। চলুন জেনে নিই, তাদের মতামত—
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এখন বিদেশে অবস্থান করছেন। কথার শুরুতেই আত্মপক্ষ সমর্থন করে এ অভিনেত্রী জানান, সাধারণত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যক্তিগত মতপ্রকাশ করেন না তিনি। কারণ যারা সিদ্ধান্ত নেন, তারা তার থেকে এ বিষয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। তবে মন্ত্রী না হলেও, টলিউডের কিছু প্রতিনিধি বিধায়ক হয়েছেন। তারা নিশ্চয়ই ইতিবাচক কাজ করবেন।
নবগঠিত মন্ত্রিসভার কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, “যেই মন্ত্রী হোন না কেন, তিনি যেন ইতিবাচক হন। নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ হন। বিপদে তাকে যেন পাওয়া যায়। তখন যেন তারা অধরা না হয়ে যান। প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষের চাহিদা যেন পূর্ণ হয়। প্রাথমিক মৌলিক চাহিদাগুলো আর যেন অপ্রাপ্তির তালিকায় নাম না লেখায়।”
সদ্যপ্রয়াত পরিচালক অনীক দত্তের উদাহরণ টেনে বিজেপি বিধায়ক, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, “আগের সরকার তাকে ব্রাত্য করেছিল নন্দনে। সেই জন্যই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সকলের আগে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন, যাতে নন্দনে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তার আয়োজন করেছিলেন। এ থেকে প্রমাণিত, টলিউডের প্রতিনিধি না থাকলেও বিনোদন দুনিয়ার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল নতুন সরকার।”
টলিউডের কোনো প্রতিনিধি মন্ত্রী না হলেও চিন্তার কারণ নেই বলে মত রুদ্রনীলের। তার ভাষায়—“এখন পর্যন্ত তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের মুখ্যমন্ত্রী নিজের দায়িত্বেই রেখেছেন। ফলে আগামী দিনে টলিউডের যা হবে, ভালো কিছুই হবে।”
শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন কী রুদ্রনীল ঘোষ দেখেছিলেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যিনি যে পদের যোগ্য, তাকে সেই পদই দেওয়া হবে। এই বিশ্বাস আমার আছে। আমিও এত বড় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, এটা ভেবেই সন্তুষ্ট।”
প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী বলেন, “রাজ্য সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা আগামী দিনে সকলের জন্য মঙ্গলজনক হবে।”
