ঢাকা
১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সকাল ৯:৫৬
logo
প্রকাশিত : নভেম্বর ১৫, ২০২৫

বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার কোচিং-বাণিজ্য

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখন কোচিংনির্ভর। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক কোচিং যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে কোচিং-বাণিজ্যে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। কোচিং সেন্টারগুলোর একাধিক সংগঠন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তবে শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এডুকেশন কমিউনিকেশনের জরিপ অনুযায়ী, কোচিং সেন্টারগুলোতে বছরে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে।

অবশ্য এডুকেশন রিসার্চ কাউন্সিল (ইআরসি) নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান বলছে, দেশে বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার কোচিং-বাণিজ্য হয়ে থাকে। সন্তানদের শিক্ষার জন্য এই অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে অভিভাবকদের। পাঁচ বছরে কোচিং ফি বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ক্লাসে একশ্রেণির শিক্ষক কোনো বিষয়বস্তুর অর্ধেক শেখাচ্ছেন। এতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী কিছুই বোঝে না। এছাড়া কোচিং না করলে নম্বর কম দেওয়া এবং ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কোনো কোনো স্কুলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার ঘটনাও ঘটছে। এ কারণে অনেকটা বাধ্য হয়ে সন্তানদের কোচিংয়ে দিচ্ছেন অভিভাবকরা।

অতিমাত্রায় পরীক্ষা হওয়ার কারণেও কোচিংয়ে ঝুঁকছে শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিংনির্ভর হয়ে পড়েছে। রাজধানীর ৫ সহস্রাধিক কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন নামিদামি স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা। শুধু একাডেমিক নয়, সব পরীক্ষাতেই কোচিং করছে শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিক্যাল-ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তিতে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে। এসব কোচিংয়ের মুখরোচক বিজ্ঞাপনে ভরে গেছে রাজধানী। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন ও আবেগকে পুঁজি করে ইচ্ছেমতো গলাকাটা হারে ভর্তি ফি আদায় করছে কোচিং সিন্ডিকেট। এছাড়া বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিক্যাল ভর্তি-সহায়ক বইয়ের বাজার প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অর্ধেক বই বিক্রি করে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার।

দেশে নিবন্ধিত কোচিং সেন্টারের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৮৭। তবে নিবন্ধনহীন কোচিং সেন্টার ২ লক্ষাধিক। রাজধানীর পাশাপাশি প্রতিটি জেলা ও উপজেলা শহরে স্কুল-কলেজের আশপাশে দেখা মিলছে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের। এসব কোচিং সেন্টার শিক্ষাসংশ্লিষ্ট হলেও নিবন্ধন বা অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান—সিটি করপোরেশ, পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কোনো তদারকি নেই বললেই চলে। এদিকে কোচিং সেন্টারগুলোকে ‘ছায়াশিক্ষা’ হিসেবে স্বীকৃতির দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার একশ্রেণির শিক্ষক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং-বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালে নীতিমালা প্রণয়ন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। হাইকোর্টের আদেশে ২০১৯ সালে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। ঐ নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না। তবে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের অনুমতি নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বাধিক ১০ শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারেন। ঐ শিক্ষার্থীদের নাম, রোল ও শ্রেণি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে জানাতে হবে। এ নীতিমালা ঢাকাসহ দেশের কোথাও মানা হচ্ছে না। নীতিমালা শুধু কাগজ-কলমে আছে। কোচিং-বাণিজ্য বন্ধে তদারকি করতে মেট্রোপলিটন ও বিভাগীয় এলাকার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের কমিটি থাকার কথা। জেলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং উপজেলার ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে আট সদস্যের কমিটি গঠনের কথা নীতিমালায় বলা হয়েছে। বাস্তবে এসব কমিটির কার্যকারিতা দেখা যায় না। ক্লাসে পড়া না পারা বা হোমওয়ার্ক না করাসহ নানা অজুহাতে শিক্ষার্থীদের ডিটেনশনে পাঠানোর নামে ছুটি শেষে ১৫ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। রাজধানীর অধিকাংশ স্কুলে কোচিং না করা শিক্ষার্থীদের ওপরে এভাবে চলছে ডিটেনশন নামক নির্যাতন। শিক্ষাবিদরা বলেন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে কোচিং সেন্টারগুলো। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। বহু ক্ষেত্রেই মানহীন শিক্ষকরা সেখানে পাঠদান করছেন। জানা গেছে, রাজধানীকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা বৃহত্ কোচিং সেন্টারগুলো ঢাকার বাইরে একের পর এক শাখা খুলছে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই শুরু হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের দৌড়াদৌড়ি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পর্যন্ত সাত-আট মাস তারা ব্যয় করেন কোচিং সেন্টারের পেছনে। অনেকে তিন-চারটি কোচিং সেন্টারেও পড়ে থাকেন। কোচিংয়ে ভর্তি না হয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বা মেডিক্যালে সুযোগ পাওয়ার নজির খুব কম।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সম্প্রতি বলেন, ‘শিক্ষায় বড় সংস্কার দরকার। শিক্ষাকে ক্লাসমুখী করতে হবে। এক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্ট হলেন শিক্ষকরা। তারা যাতে ক্লাসরুমে ভালোভাবে পড়ান, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সামাজিক সম্মান বাড়াতে হবে, যাতে মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতা পেশায় উত্সাহিত হন।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একজন অধ্যাপক বলেন, ‘কোচিং সেন্টার থাকা উচিত, নাকি বন্ধ করা উচিত, তা দীর্ঘ আলোচনা। এখন কোচিং সেন্টারগুলো যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তাতে তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বলা যায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলার সুযোগ নেই। যে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার থেকে নিবন্ধন নিতে পারে। যদি এসব প্রতিষ্ঠানকে সহায়তামূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করতে হয়, তাহলে নিবন্ধনের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেওয়া উচিত। নিয়মিত মনিটরিং ও জবাবদিহির বিধানও থাকা উচিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য রাজধানীতেই ৩৩টি কোচিং সেন্টার :সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের কোচিং সেন্টারের ছড়াছড়ি। একাডেমিক কোচিং, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং, মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিং, ক্যাডেট কলেজ ভর্তি কোচিং, বিসিএস কোচিং, আর্মি-নেভি-বিমানবাহিনীতে চাকরি পাওয়ার কোচিংসহ বহু ধরনের কোচিং সেন্টার। কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য রাজধানীতেই মোট ৩৩টি কোচিং সেন্টারের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইউসিসি, ইউনিএইড (কিরণ, কবির, সুমন), ইউনিএইড (মনির, মল্লিক, জহির), ফোকাস, সানরাইজ, গার্ডিয়ান, ডিভাইন, এনইউসিসি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়), সাইফুর’স, ইপিপি (শুধু ক ইউনিট), ডিইউসিসি, ডিহক স্যার, লীডস, হোপ, আইকন প্লাস, ভয়েজ, মেরিন, আইকন, কোয়ান্টা, দুর্বার, প্যারাগন, অ্যাডমিশন অ্যাইড, প্রাইমেট, প্লাজমা, এইউএপি, সংশপ্তক, এফ্লিক্স, এডমিশন প্লাস, এডমিয়ার, ইউএসি, ইউরেনাস, পিএসি, ইঞ্জিনিয়ার্স। মেডিক্যাল ও ডেন্টালে ভর্তির জন্য রয়েছে ১৩টি কোচিং সেন্টার—রেটিনা, সানরাইজ, পিএসি, কর্ণিয়া, ডিএমসি, মেডিকো, দি রয়াল, গ্রীন অ্যাডমিশন এইড, থ্রি ডক্টরস, ফেইম, প্রাইমেট, প্লাজমা, এভিস ও মেডিকেয়ার। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য উদ্ভাস, সানরাইজ, পিএসি, ওমেকা, মেরিনথ—এই পাঁচটি কোচিং সেন্টার রয়েছে।

রাজধানীতে ১৯ একাডেমিক কোচিং ও ১৩ চাকরির কোচিং : ঢাকায় প্রায় ১৯টি একাডেমিক কোচিং সেন্টারের মধ্যে রয়েছে—সানরাইজ, ডিভাইন, উদ্ভাস, ম্যাবস, অপরাজিতা, আইডিয়াল একাডেমি, রিয়াল, সেন্ট তেরেসা, অন্বেষা, ফেইম, মবিডিক, ক্রিয়েটিভ, উদ্দীপন, ই. হক, বিইউপি, সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড, দুরন্ত, অভিযাত্রিক। আর ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষা শেখার কোচিং সেন্টারগুলো হলো—সাইফুর’স, এফএম মেথড, ইংলিশ ওয়ার্ড, ব্রিজ কাউন্সিল, সুগন্ধা, হোপ, টার্গেট, নজরুল, ওয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, হিলস, এজিসিসি, ওরি, গ্লোবাল, লীডার, ইংলিশ সেন্টার, এলফিক্স, বিজয়, সিডি মিডিয়া ও লিবার্টি ইংলিশ। বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির জন্য রয়েছে ১৩টি কোচিং—কনফিডেন্স, বীকন, ওরাকল, ক্যারিয়ার এইড, এইউএপি, সাকসেস, সুগন্ধা, হোপ, প্রাইম একাডেমি, বিসিএস আপগ্রেড, ওয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ইউনিটি, গ্লোবাল প্রফেশনাল একাডেমি ও ডিফেন্স গাইড। মেরিন টেক্সটাইল ও ক্যাডেট কোচিংয়ের জন্য রয়েছে প্রায় ছয়টি প্রতিষ্ঠান—ইম্যাক, ভয়েজ, মিরপুর ক্যাডেট কোচিং (ফার্মগেট শাখা), মেরিন গাইড, অ্যাডমিয়ার ও বর্ণ। আর শিক্ষকদের ব্যক্তিগত বড় ধরনের কোচিং প্রায় ৯টি—মানিক স্যার, আলবার্ট স্যার, ডি হক স্যার, জেমস স্যার, রোকন স্যার, সঞ্জয় স্যার, রণজিত স্যার, তরুণ স্যার ও আলতাফ স্যার।

ইচ্ছামতো গলাকাটা ফি : উদ্ভাস কোচিং সেন্টারে এ বছর সারা দেশে সব সেন্টার মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছেন। যারা বিশেষ ছাড়ে ভর্তি হয়েছেন, তাদের ভর্তি ফি ১৫ হাজার এবং বাকিদের কাছ থেকে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা মাথাপিছু ফি নেওয়া হয়েছে। ইউসিসি কোচিং সেন্টারে শুধু ঢাকার প্রধান অফিসে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটে এবার অন্তত ১০ হাজার ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার ১০টি শাখা বাদেও সারা দেশে এ প্রতিষ্ঠানের আরো ৯৮টি শাখা আছে। ভর্তি ফি প্রতি ইউনিট ১২ হাজার টাকা, আইবিএর বিবিএ ১১ হাজার ৫০০ টাকা, যৌথভাবে যে কোনো দুইটি ইউনিট ১৮ হাজার টাকা, বিবিএ ও যে কোনো ইউনিট ১৭ হাজার টাকা এবং বিবিএ, ‘ঘ’ ইউনিট ও অন্য যে কোনো একটি ইউনিট ২২ হাজার টাকা। বিসিএস ওরাকল কোচিং সেন্টারের দেশ জুড়ে মোট ২৩টি শাখা আছে। এদের মধ্যে শুধু ফার্মগেট সেন্টারে বিসিএসের জন্য কমপক্ষে ২০০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। জনপ্রতি গড়ে ১০ হাজার টাকা করে কোচিং ফি নেওয়া হচ্ছে।

কোচিং মালিকদের বক্তব্য :১০টি একাডেমিক কোচিং সেন্টারের মালিক বলেন, ‘কোচিং করাটা কারো জন্য বাধ্যতামূলক নয়। শিক্ষকরা ক্লাসে পড়ান না বলেই ছাত্রছাত্রীরা কোচিং সেন্টারে আসেন। আমরা তো শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে ডেকে আনছি না।’ কোচিং সেন্টার পরিচালনার জন্য নীতিমালার প্রয়োজন স্বীকার করে তারা বলেন, ‘নীতিমালা হলে ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র কোচিং সেন্টার গড়ে উঠবে না। নীতিমালার ভালোমন্দ দুইটি দিকই আছে। কিছু কিছু কোচিং সেন্টার শিক্ষার্থীদের প্রতারণা করছে। নীতিমালা থাকলে সেটা বন্ধ হবে।’

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +880 2-8878026, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram