

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট–ধোবাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত না হলেও তিনি জনগণের কাছে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে যাননি। বরং নির্বাচনের পরও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখে প্রতি ইউনিয়নে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।
সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচি (আইআরডিপি)-এর অর্থায়নে এজেকেএস ফাউন্ডেশন ও সোহাগ ট্রেডার্স কনসোর্টিয়ামের উদ্যোগে প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর করা হয়েছে।
ধুরাইল ইউনিয়নের উত্তর রামনগর (বনপাড়া) এলাকায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রান্তিক হাসপাতালের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
হাসপাতালটি চালু হলে স্থানীয় পর্যায়ে ২৩ জনের সরাসরি স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে সেবা খাতে আরও অর্ধশতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান এবং হাসপাতালকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদিকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য হবে, অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ধুরাইল ইউনিয়ন হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরুর মধ্য দিয়ে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার প্রতিটি ইউনিয়নে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের নতুন যাত্রা শুরু হলো।
পূর্ব রামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধুরাইল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক প্রভাষক মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া আবুল, সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবির, আইআরডিপির এপিডি কুতুবুল আলম, সোহাগ কনস্ট্রাকশনের চেয়ারম্যান আকিকুল ইসলাম সোহাগ, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ, মোস্তফা মাস্টার, এমদাদ মেম্বার, আরিফ রব্বানী প্রমুখ।
