

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মারধরের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করাকে কেন্দ্র করে থানার গেটের সামনেই শাহ আলম (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১টার দিকে তিতাস থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, শাহ আলমের বড় ভাই কামাল হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে কামাল হোসেনের ছেলে তাহের আলী ও সাগর মিয়া শাহ আলমকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় শাহ আলম তিতাস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হওয়ায় তিনি জিডিটি প্রত্যাহার করে নেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শাহ আলমের বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই রুবেলকে মারধরের চেষ্টা করেন তাহের আলী, সাগর, ফাহিম, রিফাত ও ফারুক। এ সময় শাহ আলম রুবেলকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাহের আলী তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
চিকিৎসা নেওয়ার পর শাহ আলম থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে থানার গেটের সামনে আবারও ভাতিজা তাহের আলী, সাগর, ফাহিম, রিফাত ও ফারুক তার উপর হামলা করে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন। ঘটনাটি থানা পুলিশের সামনেই ঘটে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী শাহ আলম বলেন, “জায়গা-জমি নিয়ে আমার ভাই কামাল হোসেন ও ভাতিজা তাহের আলীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছুদিন আগে তাহের আলী আমাকে মারধর করেছিল। আজ ভাতিজি জামাই রুবেলকে মারধর থেকে বাঁচাতে গেলে তাহের আলী আমার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে। পরে অভিযোগ দিতে থানায় গেলে থানার গেটের সামনেই তারা আমাকে আবারও মারধর করে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল হক বলেন, “মারামারির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। থানার সামনের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। দুপুর ১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
