

সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: রাজনৈতিক অঙ্গনে মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে শিগগিরই মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়ানো হতে পারে বলে সরকার ও বিএনপির একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
সম্ভাব্য এই সম্প্রসারণে পূর্ণ মন্ত্রিত্বের আলোচনায় উঠে এসেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান-এর নাম।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে বেগম সেলিমা রহমানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের কারণে তাঁকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বেগম সেলিমা রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি সাবেক বিচারপতি ও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ষষ্ঠ স্পিকার মরহুম আব্দুল জব্বার খানের কন্যা। রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে বেড়ে ওঠা সেলিমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনের সময় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ও প্রশাসনিক দক্ষতা প্রশংসিত হয়। বর্তমানে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।সম্প্রতি তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং দীর্ঘ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে সেলিমা রহমান এখন জাতীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হলে তাঁকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলে তা বিএনপির নারী নেতৃত্বের জন্যও ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বেগম সেলিমা রহমান বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর সবকিছু নির্ভর করে। আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।

